বিভিন্ন ঝুঁকিপূর্ণ অ্যাসেটের তুলনায় ডলারের দর বৃদ্ধির প্রেক্ষিতে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অর্থনৈতিক উপদেষ্টা কেভিন হ্যাসেট বলেছেন যে ফেডারেল রিজার্ভের ব্যালান্স শিট যতটা সম্ভব কার্যকর রাখার দিকে মনোযোগ দেয়া উচিত।
হ্যাসেট দাবি করেছেন যে ফেডকে মূল লক্ষ্যগুলোকে অগ্রাধিকার দিতে হবে — যার মধ্যে রয়েছে আর্থিক স্থিতিশীলতা সুরক্ষিত রাখা, প্রয়োজনের সময় সুদের হার কমানো এবং বেকারত্ব ও মুদ্রাস্ফীতি হ্রাস করা — এবং তিনি বলেন মার্কিন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পুরনো রীতি-নীতি অনুযায়ী শান্তভাবে এগুলো করা উচিত। তিনি বলেন, মৌলিক বিষয়ের ওপর ভিত্তি করে পরিমিত ও পূর্বানুমেয় নীতিমালা গ্রহণ করলে ফেডের সিদ্ধান্তগুলোর অতিরিক্ত রাজনৈতিকীকরণ এড়ানো যাবে এবং প্রশাসন বা খাতভিত্তিক স্বার্থের চাপ থেকে প্রতিষ্ঠানটিকে রক্ষা করা যাবে।
হ্যাসেট জোর দিয়ে বলেছেন যে ফেডের যেকোনো পদক্ষেপ মূলত রাজনৈতিক বিবেচনার পরিবর্তে অর্থনৈতিক প্রতিবেদনে ফলাফল ও পূর্বাভাস দ্বারা বিবেচিত হওয়া উচিত। তিনি বলেছেন সিদ্ধান্তগ্রহণে স্বচ্ছতা ও ধারাবাহিকতা কেন্দ্রীয় ব্যাংকের উপর আস্থা বাড়াবে এবং নীতিমালার কার্যকারিতা উন্নত করবে।
হ্যাসেট নিজেও এক সময় ফেড চেয়ারম্যান পদপ্রার্থীর প্রতিযোগীতায় ছিলেন, কিন্তু শুক্রবার ট্রাম্প বলেছেন যে তিনি কেভিন ওয়ার্শকে ফেডের পরবর্তী চেয়ারম্যান হিসেবে মনোনীত করবেন। সাক্ষাৎকারে হ্যাসেট ওয়ারশ সম্পর্কে বলেছেন, "তিনি খুব স্বাধীন ও প্রতিবেদন-নির্ভর ব্যক্তি।" হ্যাসেট আরও বলেন মার্কিন প্রশাসন স্থিতিশীল ও পূর্বানুমেয় অর্থনৈতিক পরিবেশকে প্রবৃদ্ধির ধারাবাহিতার জন্য অপরিহার্য বলে বিবেচনা করে। তিনি যুক্তি দিয়েছেন যে সুদের হার হ্রাস ও মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ শুধু লক্ষ্য নয়, মার্কিন নাগরিকদের জন্য সাশ্রয়ী আবাসন ও উন্নত জীবনযাত্রার পূর্বশর্ত।
হ্যাসেট আরও যুক্ত করেছেন যে মার্কিন অর্থনীতিতে সম্ভাব্যভাবে একটি ইতিবাচক সরবরাহ বৃদ্ধি ট্রাম্প প্রশাসনের উৎপাদন বৃদ্ধি ও কর হ্রাসের নীতির ফলাফল হতে পারে। তিনি বলেন এসব ব্যবস্থায় উৎসগুলো মুক্ত হয়ে অর্থনৈতিক দক্ষতা বাড়াতে পারে।
EUR/USD‑এর টেকনিক্যাল প্রেক্ষাপট অনুযায়ী ক্রেতাদের এই পেয়ারের মূল্যকে 1.1890 লেভেলে পুনরুদ্ধার করার চেষ্টা করা উচিত। উক্ত লেভেল ব্রেক করা হলে এই পেয়ারের মূল্যের 1.1950 লেভেলে পৌঁছানোর সম্ভাবনা উন্মুক্ত হবে। সেখান থেকে এই পেয়ারের মূল্যের 1.1980‑এ যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, যদিও বড় ট্রেডাদের সমর্থন ছাড়া এর ওপরে যাওয়া এই পেয়ারের মূল্যের পক্ষে কঠিন হবে। দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্যমাত্রা হিসেবে 1.2030 লেভেল বিবেচনা করা হচ্ছে। দরপতনের ক্ষেত্রে, এই পেয়ারের মূল্য কেবল 1.1840 এরিয়ার আশেপাশে থাকা অবস্থায় ক্রেতারা সক্রিয় হতে পারে। যদি সেখানে কোনো ক্রেতারা সক্রিয় না হন, তবে এই পেয়ারের মূল্য 1.1780‑এ নেমে যাওয়ার জন্য অপেক্ষা করা বা 1.1730‑থেকে লং পজিশন ওপেন করা বুদ্ধিমানের কাজ হবে।GBP/USD‑এর ক্ষেত্রে, পাউন্ড স্টার্লিংয়ের ক্রেতাদের মূল্যকে নিকটতম রেজিস্ট্যান্স 1.3702-এ নিয়ে যেতে হবে। কেবল তখনই এই পেয়ারের মূল্যের 1.3738‑এর লক্ষ্যমাত্রার দিকে যাওয়ার সম্ভাবনা উন্মুক্ত হবে, যা ব্রেক করে ঊর্ধ্বমুখী হওয়া বেশ কঠিন হবে। দীর্ঘস্থায়ী লক্ষ্যমাত্রা হিসেবে প্রায় 1.3784 লেভেল নির্ধারণ করা যায়। এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী প্রবণতার ক্ষেত্রে মূল্য 1.3650‑এ থাকা অবস্থায় বিক্রেতারা মার্কেটের নিয়ন্ত্রণ নেয়ার চেষ্টা করবে। তারা সফল হলে ওই রেঞ্জ ব্রেক করে নিম্নমুখী হলে সেটি বুলিশ পজিশনগুলোর জন্য বড় ধাক্কা হবে এবং GBP/USD পেয়ারের মূল্য 1.3618 পর্যন্ত নেমে যেতে পারে, পরবর্তীতে 1.3590‑এর দিকে দরপতনের সম্ভাবনা রয়েছে।