বৃহস্পতিবার রূপার দরপতন ঘটেছে, এটির মূল্য 50-দিনের SMA-এর নিচে অবস্থান করছে এবং বুলিশ প্রবণতার সম্ভাবনা ক্রমাগত হ্রাস পাচ্ছে। মার্কিন শ্রমবাজার সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশের পর ফেব্রুয়ারির সর্বনিম্ন লেভেল থেকে শুরু হওয়া রূপার মূল্যের পুনরুদ্ধার প্রক্রিয়া থমকে গেছে।
ব্যুরো অব লেবার স্ট্যাটিস্টিক্স (BLS)-এর তথ্য অনুযায়ী, জানুয়ারিতে নন-ফার্ম সেক্টরে (NFP) 130,000টি নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে। এই ফলাফল 70,000-এর পূর্বাভাসকে ছাড়িয়ে গেছে, এবং বেকারত্ব হার 4.3%-এ নেমে এসেছে। এই সূচকগুলোর ফলাফল মার্কিন শ্রমবাজার পরিস্থিতির তীব্র অবনিত আশঙ্কা কমিয়েছে, যার ফলে বিনিয়োগকারীরা স্বল্পমেয়াদে মুদ্রানীতি নমনীয়করণের সম্ভাব্যতা পুনর্মূল্যায়ন করছেন। সাম্প্রতিক দিনগুলোতে ফেডের প্রতিনিধিদের বক্তব্যেও রক্ষণাত্নক মনোভাব প্রতিফলিত হয়েছে; ফেডের বেশ কয়েকজন কর্মকর্তা উল্লেখ করেছেন যে মুদ্রাস্ফীতির হার লক্ষ্যমাত্রার উপরে রয়ে গেছে এবং বর্তমানে স্বল্পমেয়াদে সুদের হার একই স্তরে বজায় রাখা যৌক্তিক বলে মনে হচ্ছে।
তবু মার্কেটের ট্রেডাররা বছরের শেষের দিকে সুদের হার 50 বেসিস পয়েন্ট হ্রাসের সম্ভাবনা মূল্যায়ন করে চলেছে, যা মূল্যবান ধাতুগুলোর দরপতনকে সীমিত করছে। এরপরও মার্কিন ডলার দরপতন প্রতিরোধে সংগ্রাম করে চলেছে, ফলে রূপা দরপতন থামছে না।
তবুও, অব্যাহত ভূ-রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা এবং ফেডের মুদ্রানীতি সমন্বয়ের সময়সীমা সম্পর্কে অনিশ্চয়তার মধ্যে রূপার মূল্যের উচ্চ মাত্রার অস্থিরতা বজায় থাকবে, যদিও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে আর্থিক নীতিমালা নমনীয় করা হলে রূপার ইতিবাচক প্রবণতা ফিরে আসতে পারে।
টেকনিক্যাল প্রেক্ষাপট অনুযায়ী, দৈনিক চার্টে অসিলেটরগুলো নেগেটিভ সিগন্যাল দিচ্ছে এবং রূপার মূল্য 50-দিনের SMA-এর নিচে নেমে গেছে। যদি রূপার মূল্য এই লেভেলের ওপর ফিরে না আসে, তাহলে দরপতন ত্বরান্বিত হয়ে 50-দিনের EMA-এর দিকে এবং আরও নিচে 50-দিনের SMA-এর দিকে নামতে পারে, যা মার্কেটে রূপার বিক্রেতাদের নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করবে। তবে যদি রূপার মূল্য এই লেভেলের ওপরে ফিরে যেতে সক্ষম হয়, তাহলে ক্রেতাদের নিয়ন্ত্রণ পুনরুদ্ধারের সুযোগ সৃষ্টি হবে।