যখন MACD সূচকটি শূন্যের নিচের দিকে নামতে শুরু করেছিল তখন এই পেয়ারের মূল্য 1.3302-এর লেভেল টেস্ট করেছিল—যা পাউন্ড বিক্রি করার জন্য সঠিক এন্ট্রি পয়েন্ট নিশ্চিত করেছে। ফলস্বরূপ, এই পেয়ারের মূল্য 1.3265-এর লক্ষ্যমাত্রার দিকে নেমে আসে।
জ্বালানি মূল্য বৃদ্ধি ও যুক্তরাজ্যে মুদ্রাস্ফীতিজনিত চাপ বৃদ্ধির ঝুঁকি, পাশাপাশি অস্থিতিশীল ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতি—যার মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সামরিক উত্তেজনাও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে—ব্রিটিশ পাউন্ডের বিপরীতে মার্কিন ডলারের চাহিদা অব্যাহতভাবে বাড়িয়ে দিচ্ছে। অনিশ্চয়তার সময়ে নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে মার্কিন ডলার বাড়তি মূলধন আকর্ষণ করে। এর ফলে তুলনামূলকভাবে অস্থিতিশীল অর্থনীতি বা বাহ্যিক অস্থিরতার প্রতি ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর কারেন্সিগুলোর ওপর চাপ সৃষ্টি হয়। ব্রিটিশ পাউন্ডের ক্ষেত্রে এই চ্যালেঞ্জগুলো আরও বাড়ছে; বৈশ্বিক কারণগুলো ছাড়াও যুক্তরাজ্যের অভ্যন্তরীণ অর্থনৈতিক সংকট—যেমন ব্যাংক অব ইংল্যান্ডের গৃহীত প্রচেষ্টার পরেও মুদ্রাস্ফীতি বজায় থাকার ধারাবাহিকতা—পাউন্ডের এক্সচেঞ্জ রেটকে প্রভাবিত করছে।
আজ দিনের প্রথমার্ধে যুক্তরাজ্য থেকে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সামষ্টিক-অর্থনৈতিক সূচক প্রকাশিত হওয়ার কথা রয়েছে। বিনিয়োগকারীদের বিশেষ আগ্রহের মধ্যে রয়েছে অনুমোদিত মর্টগেজ আবেদন, ভোক্তা ঋণের পরিমাণ এবং M4 মানি সাপ্লাইয়ের গতিশীলতা সংক্রান্ত প্রতিবেদন।
মর্টগেজ আবেদনের সংখ্যা ভোক্তাদের আস্থা এবং আবাসন খাতের অবস্থা সম্পর্কে একটি গুরুত্বপূর্ণ সূচক হিসেবে বিবেচিত হয়, আর নেট ব্যক্তিগত/ভোক্তা ঋণ সম্পর্কিত প্রতিবেদনের ফলাফল ভোক্তা ব্যয় এবং গৃহস্থালির ঋণের মাত্রা সম্পর্কে ধারণা দিবে। M4 মানি সাপ্লাইয়ের পরিবর্তন ব্যাংকিং সিস্টেমে লিকুইডিটি এবং বর্তমান মুদ্রার মোট পরিমাণকে প্রতিফলিত করে। M4 মানি সাপ্লাই বৃদ্ধির পেলে তা অর্থ প্রবাহের বিস্তার নির্দেশ করে—যা সম্ভাব্যভাবে মুদ্রাস্ফীতি ত্বরান্বিত করতে পারে; এদিকে M4 মানি সাপ্লাই হ্রাস পেলে তা আর্থিক নীতিমালা কঠোর করার সম্ভাবনা নির্দেশ করতে পারে।
এই প্রতিবেদনগুলোর ফলাফলের সমন্বয় ব্রিটিশ অর্থনৈতিক অবস্থা সম্পর্কে আরও বিস্তৃত চিত্র প্রদান করবে এবং ব্রিটিশ পাউন্ডের মূল্যের স্বল্প-মেয়াদী মুভমেন্টের পূর্বাভাস দিতে সহায়তা করবে।
দৈনিক কৌশল হিসেবে, আমি প্রধানত পরিকল্পনা #1 ও #2 বাস্তবায়নের ওপর নির্ভর করব।
পরিকল্পনা #1: আজ পাউন্ডের মূল্য 1.3308-এর (চার্টে গাঢ় সবুজ লাইন) লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 1.3285-এর (চার্টে হালকা সবুজ লাইন) এন্ট্রি পয়েন্টে পৌঁছালে আমি পাউন্ড কেনার পরিকল্পনা করছি। মূল্য প্রায় 1.3308-এর লেভেলের আশেপাশে পৌঁছালে, আমি লং পজিশন ক্লোজ করতে যাচ্ছি এবং বিপরীত দিকে শর্ট পজিশন ওপেন করতে যাচ্ছি, উল্লিখিত লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপস মুভমেন্টের প্রত্যাশা করছি। আজ শুধুমাত্র আসন্ন অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের ইতিবাচক ফলাফল প্রকাশিত হলে পাউন্ডের মূল্য বৃদ্ধি পেতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং শূন্যের উপরে উঠতে শুরু করেছে।
পরিকল্পনা #2: MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.3268-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রেও আমি আজ পাউন্ড কিনতে যাচ্ছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নগামী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী করবে। 1.3285 এবং 1.3308-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করা যেতে পারে।
সেল সিগন্যাল:পরিকল্পনা #1: আজ পাউন্ডের মূল্য 1.3268-এর (চার্টে লাল লাইন) লেভেলে পৌঁছানোর পর আমি পাউন্ড বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি, যা GBP/USD-এর দ্রুত দরপতনের দিকে নিয়ে যাবে। বিক্রেতাদের জন্য মূল লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.3244-এর লেভেল, যেখানে মূল্য পৌঁছালে আমি শর্ট পজিশন ক্লোজ করতে যাচ্ছি এবং অবিলম্বে বিপরীত দিকে লং পজিশন ওপেন করার পরিকল্পনা করছি, এই লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপস মুভমেন্ট হওয়ার আশা করছি। আজ আসন্ন প্রতিবেদনের দুর্বল ফলাফল প্রকাশিত হলে পাউন্ডের উপর চাপ ফিরে আসার সম্ভাবনা রয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ! বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে।
পরিকল্পনা #2: MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.3285-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি আজ পাউন্ড বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী দিকে নিয়ে যাবে। 1.3268 এবং 1.3244-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করা যেতে পারে।