যখন MACD সূচকটি শূন্যের নিচের দিকে নামতে শুরু করছিল তখন এই পেয়ারের মূল্য 1.3453 লেভেল টেস্ট করেছিল—যা পাউন্ড বিক্রির জন্য সঠিক এন্ট্রি পয়েন্ট নিশ্চিত করেছিল। ফলস্বরূপ, এই পেয়ারের মূল্য 1.3412-এর লক্ষ্যমাত্রায় নেমে আসে।
ব্রিটিশ পাউন্ডের বিপরীতে মার্কিন ডলারের দর তীব্রভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে, যা আংশিকভাবে অনুকূল অর্থনৈতিক ও ভূ-রাজনৈতিক কারণগুলোর সমন্বয়ের ফল। মার্কিন ডলারের দর বৃদ্ধির প্রধান কারণ ছিল যুক্তরাষ্ট্রে প্রকাশিত ISM উৎপাদন সূচক, যা অর্থনীতিবিদদের প্রত্যাশা ছাড়িয়ে 54 পয়েন্টে পৌঁছেছে। এই সূচকটি বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতির দেশের উৎপাদন খাতের অবস্থা প্রতিফলিত করে—যা স্বাস্থ্য ও ব্যবসায়িক কার্যক্রমের একটি প্রধান নির্দেশক। সাধারণত 50-এর ওপর ফলাফল উৎপাদন খাত সম্প্রসারণ নির্দেশ করে, যা ইতিবাচক সংকেত হিসেবে ধরা হয় এবং ফলে মার্কিন ডলারভিত্তিক অ্যাসেটের আকর্ষণ বাড়ে।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সংঘাতের তীব্রতায বাড়ায় এই পেয়ারের ওপর অতিরিক্ত চাপও তৈরি হয়—বিশ্বের একটি গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চলে ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা বৃদ্ধি পেলে তা সারা বিশ্বেই অনিশ্চয়তা সৃষ্টি করে।
আজ যুক্তরাজ্যে দিনের প্রথমার্ধে বেশ কয়েকটি কিছু গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক সূচক প্রকাশিত হবে, যা ভোক্তা চাহিদা এবং ক্রেডিট রিসোর্সের প্রাপ্যতা সম্পর্কে ধারণা দেবে। অনুমোদিত মর্টগেজ আবেদন সংক্রান্ত প্রতিবেদনের ফলাফল জনসাধারণের আত্মবিশ্বাস এবং আবাসন বাজারের সম্ভাবনার একটি নির্দেশক হিসেবে কাজ করে। এই সূচক বৃদ্ধি পেলে তা দেশটির নির্মাণ খাতে কিছুটা পুনরুদ্ধারের ইঙ্গিত দিতে পারে এবং সংশ্লিষ্ট শিল্প খাতগুলোর ওপর ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে—তবে উচ্চ সুদের হার বজায় থাকার কারণে ইতিবাচক ফলাফল আসার সম্ভাবনা বেশ কম।
তবুও গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন থাকা সত্ত্বেও দিনের প্রধান আকর্ষণ হিসেবে নিঃসন্দেহে ব্যাংক অফ ইংল্যান্ডের গভর্নর অ্যান্ড্রু বেইলির বক্তব্যকে বিবেচনা করা যায়। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ভবিষ্যৎ পদক্ষেপ সম্পর্কিত সংকেত খুঁজতে ট্রেডাররা তাঁর প্রতিটি মন্তব্যই সতর্কতার সঙ্গে বিশ্লেষণ করবে।
দৈনিক কৌশলের ক্ষেত্রে আমি প্রধানত পরিকল্পনা 1 ও 2 বাস্তবায়নের উপর বেশি নির্ভর করব।
পরিকল্পনা #1: আজ পাউন্ডের মূল্য 1.3524-এর (চার্টে গাঢ় সবুজ লাইন) লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 1.3481-এর (চার্টে হালকা সবুজ লাইন) এন্ট্রি পয়েন্টে পৌঁছালে আমি পাউন্ড কেনার পরিকল্পনা করছি। মূল্য প্রায় 1.3524-এর লেভেলের আশেপাশে পৌঁছালে, আমি লং পজিশন ক্লোজ করতে যাচ্ছি এবং বিপরীত দিকে শর্ট পজিশন ওপেন করতে যাচ্ছি, উল্লিখিত লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপস মুভমেন্টের প্রত্যাশা করছি। আজ আসন্ন প্রতিবেদনের ইতিবাচক ফলাফল প্রকাশিত হলে পাউন্ডের মূল্য বৃদ্ধি পেতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং শূন্যের উপরে উঠতে শুরু করেছে।
পরিকল্পনা #2: MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.3458-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রেও আমি আজ পাউন্ড কিনতে যাচ্ছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী করবে। 1.3481 এবং 1.3524-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করা যেতে পারে।
সেল সিগন্যালপরিকল্পনা #1: আজ পাউন্ডের মূল্য 1.3458-এর (চার্টে লাল লাইন) লেভেলে পৌঁছানোর পর আমি পাউন্ড বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি, যা GBP/USD-এর দ্রুত দরপতনের দিকে নিয়ে যাবে। বিক্রেতাদের জন্য মূল লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.3412-এর লেভেল, যেখানে মূল্য পৌঁছালে আমি শর্ট পজিশন ক্লোজ করতে যাচ্ছি এবং অবিলম্বে বিপরীত দিকে লং পজিশন ওপেন করার পরিকল্পনা করছি, এই লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপস মুভমেন্ট হওয়ার আশা করছি। আজ আসন্ন প্রতিবেদনের দুর্বল ফলাফল প্রকাশিত হলে পাউন্ডের উপর চাপ ফিরে আসার সম্ভাবনা রয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার বিক্রির আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে।
পরিকল্পনা #2: MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.3481-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি আজ পাউন্ড বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী দিকে নিয়ে যাবে। 1.3458 এবং 1.3412-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করা যেতে পারে।