যখন MACD সূচকটি শূন্যের বেশ উপরে উঠতে করেছিল তখন এই পেয়ারের মূল্য 1.3443-এর লেভেল টেস্ট করেছিল, যা পাউন্ডের বাই পজিশন ওপেন করার জন্য সঠিক এন্ট্রি পয়েন্ট নিশ্চিত করেছে। ফলস্বরূপ, এই পেয়ারের মূল্য 40 পিপস বৃদ্ধি পেয়েছে।
মার্কিন কর্মসংস্থান বিষয়ক প্রতিবেদনের ফলাফল পূর্বাভাসের তুলনায় ব্যাপকভাবে ভিন্ন হওয়ায় গতকালকের ট্রেডিংয়ের পরিস্থিতি নির্ধারিত হয় এবং এর ফলে ডলারের দরপতন ঘটেছে। জুলাই মাসে 'নন-ফার্ম পেরোলের' (কৃষিখাত বহির্ভূত কর্মসংস্থান) সংখ্যা ২৩,০০০ কমেছে—অথচ অর্থনীতিবিদরা দেশটির উক্ত খাতে কর্মসংস্তথান ৯৭,০০০ বৃদ্ধির পূর্বাভাস দিয়েছিলেন—আর পূর্বাভাস ও প্রকৃত ফলাফলের এই বড় ধরনের ব্যবধানের কারণেই মার্কিন ডলারের দরপতন ঘটে। কর্মসংস্থান খাতকে অর্থনৈতিক অবস্থার একটি মূল সূচক হিসেবে বিবেচনা করা হয়; তাই কর্মসংস্থানের অপ্রত্যাশিত হ্রাস অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির মন্থরতা নিয়ে উদ্বেগ বাড়িয়ে দিয়েছে এবং ফেডারেল রিজার্ভ কর্তৃক মুদ্রানীতি কঠোর করার (সুদের হার বাড়ানোর) যৌক্তিকতাকে দুর্বল করেছে। তবে প্রতিবেদনটি কিছুটা বিভ্রান্তিকর ছিল, কারণ ৪.২ শতাংশ পূর্বাভাসের বিপরীতে বেকারত্বের হার অপ্রত্যাশিতভাবে কমে ৪.১ শতাংশে নেমে এসেছে এবং মোট বেকারের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬৯ লাখে। বাহ্যিকভাবে এটি শ্রমবাজার পরিস্থিতির স্থিতিশীলতার ইঙ্গিত হলেও, নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে ব্যর্থতার বিষয়টিই প্রাধান্য পেয়েছে এবং ট্রেডাররা মূলত সেদিকেই মনোযোগ দিয়েছে। মন্থর নিয়োগ প্রক্রিয়াই ছিল দিনের প্রধান সংকেত, যার ফলে মার্কিন ডলারের দরপতন ঘটেছে। ডলারের এই দরপতনের সুযোগ নিয়ে ব্রিটিশ পাউন্ডের মূল্য উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।
যুক্তরাজ্যের অর্থনৈতিক ক্যালেন্ডারে আজ কোনো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন প্রকাশের কথা নেই বা কোনো ইভেন্টও নির্ধারিত নেই, ফলে পাউন্ডের মূল্যের মুভমেন্ট ঘটাতে পারে এমন কোনো চালিকাশক্তিও নেই; ফলে পাউন্ডের মূল্য বাহ্যিক পরিস্থিতির ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছে। এমন পরিস্থিতিতে, এই পেয়ারের মূল্য নির্ধারণে ডলারের দর এবং সামগ্রিক ঝুঁকি গ্রহণের প্রবণতা প্রধান নিয়ামক হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিস্থিতি অনুকূল থাকলে, পাউন্ডের ক্রেতাদের পক্ষে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা বা 'বুল মার্কেট' বজায় রাখার ভালো সম্ভাবনা রয়েছে।
দৈনিক কৌশল হিসেবে, আমি মূলত পরিকল্পনা #1 এবং #2 বাস্তবায়নের উপর নির্ভর করব।
পরিকল্পনা 1: আজ পাউন্ডের মূল্য 1.3519-এর (চার্টে গাঢ় সবুজ লাইন) লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 1.3498-এর (চার্টে হালকা সবুজ লাইন) এন্ট্রি পয়েন্টে পৌঁছালে আমি পাউন্ডের লং পজিশন ওপেন করার পরিকল্পনা করছি। মূল্য প্রায় 1.3519-এর লেভেলের আশেপাশে পৌঁছালে, আমি লং পজিশন ক্লোজ করতে যাচ্ছি এবং বিপরীত দিকে শর্ট পজিশন ওপেন করতে যাচ্ছি, উল্লিখিত লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপস মুভমেন্টের প্রত্যাশা করছি। আজ শুধুমাত্র আসন্ন প্রতিবেদনের ইতিবাচক ফলাফল প্রকাশিত হলে পাউন্ডের মূল্য বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ারের লং পজিশন ওপেন করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং শূন্যের উপরে উঠতে শুরু করেছে।
পরিকল্পনা 2: MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.3485-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রেও আমি আজ পাউন্ডের লং পজিশন ওপেন করতে যাচ্ছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী করবে। 1.3498 এবং 1.3519-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করা যেতে পারে।
সেল সিগন্যালপরিকল্পনা 1: আজ পাউন্ডের মূল্য 1.3485-এর (চার্টে লাল লাইন) লেভেলে পৌঁছানোর পর আমি পাউন্ডের শর্ট পজিশন ওপেন করার পরিকল্পনা করছি, যা GBP/USD-এর দ্রুত দরপতনের দিকে নিয়ে যাবে। বিক্রেতাদের জন্য মূল লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.3459-এর লেভেল, যেখানে মূল্য পৌঁছালে আমি শর্ট পজিশন ক্লোজ করতে যাচ্ছি এবং অবিলম্বে বিপরীত দিকে লং পজিশন ওপেন করার পরিকল্পনা করছি, এই লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপস মুভমেন্ট হওয়ার আশা করছি। আজ নেতিবাচক সংবাদ প্রকাশিত হলে পাউন্ডের উপর চাপ ফিরে আসার সম্ভাবনা রয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ারের সেল পজিশন ওপেন করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে।
পরিকল্পনা 2: MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.3498-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি আজ পাউন্ডের শর্ট পজিশন ওপেন করার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী দিকে নিয়ে যাবে। 1.3485 এবং 1.3459-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করা যেতে পারে।