যখন MACD সূচকটি শূন্যের বেশ নিচে নেমে গিয়েছিল তখন এই পেয়ারের মূল্য 1.3496-এর লেভেল টেস্ট করেছিল, যা এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করেছিল। এই কারণে আমি পাউন্ডের সেল পজিশন ওপেন করিনি। 1.3496-এর লেভেলের দ্বিতীয় টেস্টের ক্ষেত্রে MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে ছিল, যা পাউন্ডের বাই সিগন্যালের পরিকল্পনা #2 বাস্তবায়ন করার সুযোগ দেয়। ফলস্বরূপ, এই পেয়ারের মূল্য 18 পিপস বৃদ্ধি পেয়েছে।
গতকাল যুক্তরাষ্ট্রে তেমন কোনো গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক প্রকাশিত না হওয়ায় এবং ফেডারেল রিজার্ভের কোনো সদস্য মন্তব্য না করায় গতকাল ট্রেডাররা দেশটির রিয়েল এস্টেট খাতের দিকে মনোযোগ দিয়েছে; তবে এতে মার্কেটে কোনো উল্লেখযোগ্য মুভমেন্ট দেখা যায়নি। জুলাই মাসে যুক্তরাষ্ট্রে বিদ্যমান বাড়ি বিক্রির পরিমাণ ১.৭% কমেছে, যদিও বছরের শুরু থেকে এ পর্যন্ত সামগ্রিকভাবে সূচকটি ২.৪% প্রবৃদ্ধি প্রদর্শন করেছে। এই সূচকটিক কম গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচনা করা হয় এবং অর্থনীতিবিদদের পূর্বাভাসের সাথে সূচকটির ফলাফল প্রায় হুবহু মিল থাকায় মার্কেটে অস্থিরতার মাত্রা কম ছিল; পাশাপাশি এটি ট্রেডারদের কোনো স্পষ্ট দিকনির্দেশনাও প্রদান করেনি। এমন পরিস্থিতিতে ব্রিটিশ পাউন্ডের মূল্যের মুভমেন্ট মূলত বাহ্যিক অনুঘটকের ওপর নির্ভরশীল ছিল। প্রকাশিত প্রতিবেদনের ফলাফল প্রত্যাশা অনুযায়ী হওয়ায় মার্কিন ডলারের মূল্যের মুভমেন্ট সৃষ্টির জন্য কোনো জোরালো কারণ ছিল না এবং GBP/USD কারেন্সি পেয়ারের মূল্যের মুভমেন্ট মূলত বিনিয়োগকারীদের সামগ্রিক ঝুঁকি গ্রহণের প্রবণতা দ্বারা নির্ধারিত হয়েছে।
যুক্তরাজ্যে আজ কোনো অর্থনৈতিক সূচক প্রকাশিত হবে না বা কোনো ইভেন্টও নির্ধারিত নেই, তাই আজ পাউন্ডের মূল্যের মুভমেন্ট আবারও বাহ্যিক পরিস্থিতির ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছে। সাধারণত শ্রমবাজার বিষয়ক প্রতিবেদনগুলো ব্রিটিশ পাউন্ডের মূল্যের মুভমেন্ট নির্ধারণ করে থাকে, কিন্তু আজ তেমন কোনো প্রতিবেদন প্রকাশের কথা নেই। এমতাবস্থায়, এই কারেন্সি পেয়ারের ক্ষেত্রে মার্কিন ডলারের মূল্যের মুভমেন্ট এবং বিনিয়োগকারীদের ঝুঁকি গ্রহণের প্রবণতাই প্রধান নিয়ামক হয়ে দাঁড়িয়েছে। অনুকূল পরিস্থিতিতে পাউন্ডের ক্রেতাদের বুলিশ বা ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা বজায় রাখার সুযোগ রয়েছে, বিশেষ করে যেহেতু পূর্ববর্তী মোমেন্টামের কারণে ব্রিটিশ পাউন্ড ইতোমধ্যেই কিছুটা সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে।
দৈনিক কৌশল হিসেবে, আমি মূলত পরিকল্পনা #1 এবং #2 বাস্তবায়নের উপর নির্ভর করব।
পরিকল্পনা #1: আজ পাউন্ডের মূল্য 1.3545-এর (চার্টে গাঢ় সবুজ লাইন) লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 1.3512-এর (চার্টে হালকা সবুজ লাইন) এন্ট্রি পয়েন্টে পৌঁছালে আমি পাউন্ডের লং পজিশন ওপেন করার পরিকল্পনা করছি। মূল্য প্রায় 1.3545-এর লেভেলের আশেপাশে পৌঁছালে, আমি লং পজিশন ক্লোজ করতে যাচ্ছি এবং বিপরীত দিকে শর্ট পজিশন ওপেন করতে যাচ্ছি, উল্লিখিত লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপস মুভমেন্টের প্রত্যাশা করছি। চলমান প্রবণতার সাথে সঙ্গতি রেখে আজ পাউন্ডের মূল্য বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ারের লং পজিশন ওপেন করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং শূন্যের উপরে উঠতে শুরু করেছে।
পরিকল্পনা #2: MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.3496-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রেও আমি আজ পাউন্ডের লং পজিশন ওপেন করতে যাচ্ছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী করবে। 1.3512 এবং 1.3545-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করা যেতে পারে।
সেল সিগন্যালপরিকল্পনা #1: আজ পাউন্ডের মূল্য 1.3496-এর (চার্টে লাল লাইন) লেভেলে পৌঁছানোর পর আমি পাউন্ডের শর্ট পজিশন ওপেন করার পরিকল্পনা করছি, যা GBP/USD-এর দ্রুত দরপতনের দিকে নিয়ে যাবে। বিক্রেতাদের জন্য মূল লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.3468-এর লেভেল, যেখানে মূল্য পৌঁছালে আমি শর্ট পজিশন ক্লোজ করতে যাচ্ছি এবং অবিলম্বে বিপরীত দিকে লং পজিশন ওপেন করার পরিকল্পনা করছি, এই লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপস মুভমেন্ট হওয়ার আশা করছি। আজ নেতিবাচক সংবাদ প্রকাশিত হলে পাউন্ডের উপর চাপ ফিরে আসার সম্ভাবনা রয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ারের সেল পজিশন ওপেন করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে।
পরিকল্পনা #2: MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.3512-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি আজ পাউন্ডের শর্ট পজিশন ওপেন করার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী দিকে নিয়ে যাবে। 1.3496 এবং 1.3468-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করা যেতে পারে।