logo

FX.co ★ ২০ জানুয়ারি কীভাবে GBP/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন? নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ পরামর্শ ও বিশ্লেষণ

২০ জানুয়ারি কীভাবে GBP/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন? নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ পরামর্শ ও বিশ্লেষণ

সোমবারের ট্রেডিংয়ের পর্যালোচনা:

GBP/USD পেয়ারের 1-ঘন্টার চার্ট

২০ জানুয়ারি কীভাবে GBP/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন? নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ পরামর্শ ও বিশ্লেষণ

সোমবার GBP/USD পেয়ারেরও ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার সাথে ট্রেড করা হয়েছে এবং ডিসেন্ডিং ট্রেন্ডলাইন ব্রেক করে ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে। ফলে ইউরো ও পাউন্ড—উভয় কারেন্সির মূল্যের প্রবণতা একই সময় এবং সমন্বিতভাবে বিপরীতমুখী হয়েছে। এটি বেশ ইতিবাচক পরিস্থিতি, কারণ উভয় কারেন্সির মূল্য এখনও একইদিকে যাচ্ছে। নতুন সপ্তাহের শুরুতে ডলারের দরপতনের কারণ অনুসন্ধানের জন্য খুব বেশি খোঁজাখুঁজির প্রয়োজন নেই। ডোনাল্ড ট্রাম্প নতুন সপ্তাহ শুরু করেন এই ঘোষণা দিয়ে যে তিনি ইইউ-এর আটটি দেশ এবং যুক্তরাজ্যের ওপর 10% শুল্ক আরোপ করবেন, কারণ এই দেশগুলো তাঁর গ্রিনল্যান্ড অধিগ্রহণের পরিকল্পনা সমর্থন করছে না। ট্রাম্পের মতে, আমেরিকা ওই দ্বীপটি না কেনা পর্যন্ত আরোপিত শুল্ক বহাল থাকবে। পরে শুল্ক 25% পর্যন্ত বাড়তে পারে, এবং তখন পূর্বে স্বাক্ষরিত যেকোনো বাণিজ্যিক চুক্তির আর কোনো গুরুত্ব থাকবে না। আমরা ইতোমধ্যেই মার্কিন ডলারের শুধুই দরপতনের প্রত্যাশা করছিলাম, এবং 2026 সালে সেই প্রত্যাশা আরও সহজ ধারণায় পরিণত হয়েছে।

GBP/USD পেয়ারের 5M চার্ট

২০ জানুয়ারি কীভাবে GBP/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন? নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ পরামর্শ ও বিশ্লেষণ

সোমবার 5-মিনিটের টাইমফ্রেমে কোনো ট্রেডিং সিগন্যাল গঠিত হয়নি, যদিও গতকাল বেশ আকর্ষণীয় মুভমেন্ট পরিলক্ষিত হয়েছে। সোমবার মার্কেটে ট্রেডিং হওয়ার সময় এই পেয়ারের মূল্য 1.3319–1.3331 এরিয়ার কাছাকাছি পৌঁছেছিল, কিন্তু শেষ পর্যন্ত এই এরিয়াতে পৌঁছাতে পারেনি। ফলে নবীন ট্রেডাররা মার্কেটে পজিশন এন্ট্রির জন্য কোনো যথাযথ ভিত্তি পায়নি।

মঙ্গলবার কীভাবে ট্রেডিং করতে হবে:

ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে GBP/USD পেয়ারের মূল্য ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে, তাই আগামী কয়েক সপ্তাহে ব্রিটিশ পাউন্ডের মূল্য বৃদ্ধির প্রত্যাশা করা যেতে পারে। মধ্যমেয়াদে ডলারের শক্তিশালী হওয়ার জন্য বৈশ্বিক পর্যায়ে কোনো কারণ দেখা যাচ্ছে না, তাই 2026 সালে আমরা কেবল এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার প্রত্যাশা করছি। সামগ্রিকভাবে, আমরা 2025 সালে পরিলক্ষিত বৈশ্বিক ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা পুনরায় শুরু হবে বলে আশা করছি, যা আগামী কয়েক মাসের মধ্যে এই পেয়ারের মূল্যকে 1.4000 পর্যন্ত নিয়ে যেতে পারে। ডোনাল্ড ট্রাম্পের গৃহীত নীতিমালাই এখনও মার্কিন মুদ্রার উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।

মঙ্গলবার যদি এই পেয়ারের মূল্য 1.3437–1.3446 এরিয়া থেকে বাউন্স করে তাহলে নতুন ট্রেডাররা শর্ট পজিশন বিবেচনা করতে পারেন, এবং যেখানে মূল্যের 1.3319–1.3331-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে। এই পেয়ারের মূল্য 1.3437–1.3446 এরিয়ার ওপর কনসোলিডেশন করলে লং পজিশন ওপেন করা যাবে, যেখানে মূল্যের 1.3529–1.3543-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে।

5-মিনিটের টাইমফ্রেমে ট্রেডিংয়ের জন্য গুরত্বপূর্ণ লেভেলসমূহ: 1.3043, 1.3096–1.3107, 1.3203–1.3212, 1.3259–1.3267, 1.3319–1.3331, 1.3437–1.3446, 1.3529–1.3543, 1.3574–1.3590, 1.3643–1.3652, 1.3682, 1.3763। মঙ্গলবার যুক্তরাজ্যে বেকারত্ব, ক্লেইমেন্ট কাউন্টস এবং মজুরি সম্পর্কিত উল্লেখযোগ্য কিন্তু সর্বোচ্চ গুরত্বপূর্ণ নয় এমন প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে। আজ মার্কিন ক্যালেন্ডারে তেমন কোনো ইভেন্ট অন্তর্ভুক্ত নেই। সম্ভবত আবারও এই পেয়ারের মূল্যের অস্থিরতার মাত্রা কম থাকবে, তবে পাউন্ডের মূল্য বৃদ্ধির প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

ট্রেডিং সিস্টেমের মূল নিয়মাবলী:

  1. সিগনালের শক্তি: যত দ্রুত একটি সিগন্যাল (রিবাউন্ড বা ব্রেকআউট) গঠিত হয়, সিগন্যালটিকে ততই শক্তিশালী হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
  2. ভুল সিগন্যাল: যদি কোনো লেভেলের কাছে দুই বা ততোধিক ভুল ট্রেডিং সিগনাল গঠিত হয়, তাহলে ঐ লেভেল থেকে প্রাপ্ত পরবর্তী সিগন্যালগুলোকে উপেক্ষা করা উচিত।
  3. ফ্ল্যাট মার্কেট: যখন মার্কেটে ফ্ল্যাট মুভমেন্ট দেখা যায়, তখন পেয়ারগুলোতে একাধিক ভুল সিগন্যাল গঠিত হতে পারে অথবা কোনো সিগন্যাল না-ও গঠিত হতে পারে। মার্কেটে ফ্ল্যাট মুভমেন্টের ইঙ্গিত পাওয়ামাত্র ট্রেডিং বন্ধ করে দেওয়াই ভালো।
  4. ট্রেডিংয়ের সময়সূচী: ইউরোপীয় সেশন শুরু থেকে মার্কিন সেশনের মাঝামাঝি সময় পর্যন্ত ট্রেড ওপেন করুন এবং এরপর সকল ট্রেড ম্যানুয়ালি ক্লোজ করে ফেলুন।
  5. MACD সিগন্যাল: ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে কেবল সেই MACD সিগন্যালগুলোর ওপর ভিত্তি করে ট্রেড করুন, যেগুলো উচ্চ মাত্রার অস্থিরতা এবং ট্রেন্ডলাইন বা ট্রেন্ড চ্যানেলের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া প্রবণতা হিসেবে বিবেচিত।
  6. নিকটতম লেভেল: যদি দুটি লেভেল খুব কাছাকাছি (৫–২০ পিপসের মধ্যে) অবস্থিত হয়, তাহলে সেগুলোকে সাপোর্ট বা রেজিস্ট্যান্স জোন হিসেবে বিবেচনা করুন।
  7. স্টপ লস: মূল্য কাঙ্ক্ষিত দিকের দিকে ১৫ পিপস মুভমেন্ট প্রদর্শন করলে, ব্রেকইভেনে স্টপ লস সেট করুন। এতে করে ভুল সিগন্যালের কারণে লোকসানের ঝুঁকি কমে আসে।

চার্টে কী কী রয়েছে:

  • সাপোর্ট ও রেজিস্ট্যান্স লেভেল: এই লেভেলগুলো পজিশন ওপেন বা ক্লোজ করার ক্ষেত্রে লক্ষ্যমাত্রা হিসেবে কাজ করে এবং টেক প্রফিট সেট করার ক্ষেত্রেও উপযোগী।
  • লাল লাইনসমূহ: চ্যানেল বা ট্রেন্ডলাইন, যা বর্তমান প্রবণতা এবং ট্রেডের সম্ভাব্য দিকনির্দেশনা প্রদান করে।
  • MACD ইনডিকেটর (14,22,3): হিস্টোগ্রাম এবং সিগন্যাল লাইন বিশ্লেষণের জন্য একটি অতিরিক্ত ট্রেডিং সিগন্যালের উৎস হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

নতুন ট্রেডারদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

গুরুত্বপূর্ণ ইভেন্ট ও প্রতিবেদন: এই তথ্যগুলো অর্থনৈতিক ক্যালেন্ডারে পাওয়া যায় এবং মূল্যের মুভমেন্টে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন প্রকাশের সময় সতর্কতা অবলম্বন করুন বা মার্কেট থেকে বেরিয়ে আসুন, যাতে হঠাৎ করে মূল্যের রিভার্সাল বা বিপরীতমুখী হওয়ার প্রবণতা এড়ানো যায়।

ফরেক্স ট্রেডিংয়ে নতুন ট্রেডারদের মনে রাখতে হবে প্রতিটি ট্রেড লাভজনক হবে না। দীর্ঘমেয়াদে ট্রেডিংয়ে সফলতা অর্জনের জন্য একটি সুস্পষ্ট কৌশল গ্রহণ এবং সঠিক মানি ম্যানেজমেন্ট অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

* এখানে পোস্ট করা মার্কেট বিশ্লেষণ মানে আপনার সচেতনতা বৃদ্ধি করা, কিন্তু একটি ট্রেড করার নির্দেশনা প্রদান করা নয়
Go to the articles list Go to this author's articles Open trading account