logo

FX.co ★ ২৮ জানুয়ারি কোন ইভেন্টগুলোর উপর মনোযোগ দেওয়া উচিত? নতুন ট্রেডারদের জন্য ফান্ডামেন্টাল ইভেন্টের বিশ্লেষণ

২৮ জানুয়ারি কোন ইভেন্টগুলোর উপর মনোযোগ দেওয়া উচিত? নতুন ট্রেডারদের জন্য ফান্ডামেন্টাল ইভেন্টের বিশ্লেষণ

সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের পর্যালোচনা:

২৮ জানুয়ারি কোন ইভেন্টগুলোর উপর মনোযোগ দেওয়া উচিত? নতুন ট্রেডারদের জন্য ফান্ডামেন্টাল ইভেন্টের বিশ্লেষণ

বুধবার খুবই কম সংখ্যক সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে, এবং সেগুলোর মধ্যে কোনোটিই বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য নয়। মূলত লক্ষণীয় একমাত্র প্রতিবেদন হিসেবে জার্মানির ভোক্তা আস্থা সূচকের কথা উল্লেখ করা যায়, যা একেবারেই গৌণ গুরুত্বসম্পন্ন প্রতিবেদন। বর্তমানে সম্পূর্ণ ভিন্ন কারণের প্রভাবে ডলারের ট্রেডিং পরিলক্ষিত হচ্ছে, আর ইউরো ও পাউন্ডের ট্রেডাররা অপেক্ষা করছে।

ফান্ডামেন্টাল ইভেন্টের বিশ্লেষণ:

২৮ জানুয়ারি কোন ইভেন্টগুলোর উপর মনোযোগ দেওয়া উচিত? নতুন ট্রেডারদের জন্য ফান্ডামেন্টাল ইভেন্টের বিশ্লেষণ

বুধবারের ফান্ডামেন্টাল ইভেন্টের মধ্যে বছরের প্রথম বৈঠক হিসেবে ফেডের বৈঠকটি বিশেষভাবে এগিয়ে আচ্ছে। বর্তমানে মার্কেটের বিনিয়োগকারীরা মোটামুটি একমত যে মুদ্রানীতি অপরিবর্তিত থাকবে। তবু লক্ষণীয় যে এই বৈঠকের ফলাফল বেশ গুরুত্বপূর্ণ (যেদিকে ট্রাম্প কড়া নজর রেখেছেন) এবং জেরোম পাওয়েলের বক্তব্য মার্কেটে উল্লেখযোগ্য অস্থিরতা সৃষ্টি করতে পারে। তবু এটিও বলা দরকার যে মার্কেটে ইতোমধ্যেই উচ্চ মাত্রার অস্থিরতা বিরাজ করছে। দৈনিক টাইমফ্রেমের ফ্ল্যাট রেঞ্জভিত্তিক মুভমেন্ট শেষ হবার পরে এই পেয়ারের মূল্য ঊর্ধ্বমুখী হতে শুরু করেছিল। আমাদের দৃষ্টিতে ইউরো ও পাউন্ডের তীব্র মূল্য বৃদ্ধির একমাত্র কারণ ডোনাল্ড ট্রাম্পের সুরক্ষাবাদী ও স্বৈরাচারী নীতি—অন্য সব বিষয় এক্ষেত্রে গৌণ ভূমিকা পালন করছেন।

ট্রাম্প প্রায় প্রতিদিনই শুল্ক আরোপ করছেন, হুমকি দিচ্ছেন, আলটিমেটাম দিচ্ছেন এবং বিভিন্ন দাবি তুলছেন। ট্রেডাররা তার এসব কর্মকাণ্ডের পাল্টা প্রতিক্রিয়া হিসেবে প্রতিদিন ডলার বিক্রি করছে।

উপসংহার:

চলতি সপ্তাহের তৃতীয় দিনের ট্রেডিংয়ে মূলত টেকনিক্যাল কারণের উপর ভিত্তি করে উভয় পেয়ারের ট্রেড করা হবে। ইউরো আজ 1.1970-1.1988 রেঞ্জে ট্রেড করা যেতে পারে, আর ব্রিটিশ পাউন্ড 1.3814-1.3833 রেঞ্জে বা 1.3763 লেভেলে ট্রেড করা যেতে পারে। অবশ্যই, প্রতিদিনই ডলারের দরপতন হবে না—এক্ষেত্রে বিরতি থাকবে, কারেকশন থাকবে এবং পুলব্যাক থাকবে। তবুও আমরা মধ্য-মেয়াদে ইউরো ও পাউন্ডের দর বৃদ্ধিরই আশা করছি। সুতরাং সম্ভাব্যভাবে লং পজিশনগুলো শর্ট পজিশনের তুলনায় অনেক বেশি প্রাসঙ্গিক হবে।

ট্রেডিং সিস্টেমের মূল নিয়মাবলী:

  1. সিগনালের শক্তি: যত দ্রুত একটি সিগন্যাল (রিবাউন্ড বা ব্রেকআউট) গঠিত হয়, সিগন্যালটিকে ততই শক্তিশালী হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
  2. ভুল সিগন্যাল: যদি কোনো লেভেলের কাছে দুই বা ততোধিক ভুল ট্রেডিং সিগনাল গঠিত হয়, তাহলে ঐ লেভেল থেকে প্রাপ্ত পরবর্তী সিগন্যালগুলোকে উপেক্ষা করা উচিত।
  3. ফ্ল্যাট মার্কেট: যখন মার্কেটে ফ্ল্যাট মুভমেন্ট দেখা যায়, তখন পেয়ারগুলোতে একাধিক ভুল সিগন্যাল গঠিত হতে পারে অথবা কোনো সিগন্যাল না-ও গঠিত হতে পারে। মার্কেটে ফ্ল্যাট মুভমেন্টের ইঙ্গিত পাওয়ামাত্র ট্রেডিং বন্ধ করে দেওয়াই ভালো।
  4. ট্রেডিংয়ের সময়সূচী: ইউরোপীয় সেশন শুরু থেকে মার্কিন সেশনের মাঝামাঝি সময় পর্যন্ত ট্রেড ওপেন করুন এবং এরপর সকল ট্রেড ম্যানুয়ালি ক্লোজ করে ফেলুন।
  5. MACD সিগন্যাল: ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে কেবল সেই MACD সিগন্যালগুলোর ওপর ভিত্তি করে ট্রেড করুন, যেগুলো উচ্চ মাত্রার অস্থিরতা এবং ট্রেন্ডলাইন বা ট্রেন্ড চ্যানেলের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া প্রবণতা হিসেবে বিবেচিত।
  6. নিকটতম লেভেল: যদি দুটি লেভেল খুব কাছাকাছি (৫–২০ পিপসের মধ্যে) অবস্থিত হয়, তাহলে সেগুলোকে সাপোর্ট বা রেজিস্ট্যান্স জোন হিসেবে বিবেচনা করুন।
  7. স্টপ লস: মূল্য কাঙ্ক্ষিত দিকের দিকে ১৫ পিপস মুভমেন্ট প্রদর্শন করলে, ব্রেকইভেনে স্টপ লস সেট করুন। এতে করে ভুল সিগন্যালের কারণে লোকসানের ঝুঁকি কমে আসে।

চার্টে কী কী রয়েছে:

  • সাপোর্ট ও রেজিস্ট্যান্স লেভেল: এই লেভেলগুলো পজিশন ওপেন বা ক্লোজ করার ক্ষেত্রে লক্ষ্যমাত্রা হিসেবে কাজ করে এবং টেক প্রফিট সেট করার ক্ষেত্রেও উপযোগী।
  • লাল লাইনসমূহ: চ্যানেল বা ট্রেন্ডলাইন, যা বর্তমান প্রবণতা এবং ট্রেডের সম্ভাব্য দিকনির্দেশনা প্রদান করে।
  • MACD ইনডিকেটর (14,22,3): হিস্টোগ্রাম এবং সিগন্যাল লাইন বিশ্লেষণের জন্য একটি অতিরিক্ত ট্রেডিং সিগন্যালের উৎস হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

নতুন ট্রেডারদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

গুরুত্বপূর্ণ ইভেন্ট ও প্রতিবেদন: এই তথ্যগুলো অর্থনৈতিক ক্যালেন্ডারে পাওয়া যায় এবং মূল্যের মুভমেন্টে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন প্রকাশের সময় সতর্কতা অবলম্বন করুন বা মার্কেট থেকে বেরিয়ে আসুন, যাতে হঠাৎ করে মূল্যের রিভার্সাল বা বিপরীতমুখী হওয়ার প্রবণতা এড়ানো যায়।

ফরেক্স ট্রেডিংয়ে নতুন ট্রেডারদের মনে রাখতে হবে প্রতিটি ট্রেড লাভজনক হবে না। দীর্ঘমেয়াদে ট্রেডিংয়ে সফলতা অর্জনের জন্য একটি সুস্পষ্ট কৌশল গ্রহণ এবং সঠিক মানি ম্যানেজমেন্ট অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

* এখানে পোস্ট করা মার্কেট বিশ্লেষণ মানে আপনার সচেতনতা বৃদ্ধি করা, কিন্তু একটি ট্রেড করার নির্দেশনা প্রদান করা নয়
Go to the articles list Go to this author's articles Open trading account