২০২৫ সালের মার্চ মাসের বেতন-ভাতার মানদণ্ড সংশোধনের পাশাপাশি, শ্রম পরিসংখ্যান ব্যুরো পুরো গত বছরের জন্য সংশোধিত মাসিক মজুরি তথ্য প্রকাশ করবে। এই পরিবর্তনগুলি BLS মডেলের আপডেটগুলিকে প্রতিফলিত করে, ব্যবসার সূচনা এবং সমাপ্তি এবং নতুন মৌসুমী কারণগুলির হিসাব করে। গত বছর, শ্রমবাজার ধীরে ধীরে দুর্বল হয়ে পড়েছিল যা অর্থনীতিবিদরা "কম নিয়োগ এবং কম ছাঁটাই" হিসাবে চিহ্নিত করেছিলেন। তবে বেঞ্চমার্ক সংশোধন পূর্বের ধারণার চেয়ে আরও তীব্র মন্দা প্রকাশ করতে পারে।
গত সপ্তাহের প্রকাশগুলি সেই দৃষ্টিভঙ্গিকে সমর্থন করে: মার্কিন কোম্পানিগুলি জানুয়ারিতে সর্বাধিক সংখ্যক ছাঁটাই ঘোষণা করেছে এবং ডিসেম্বরে চাকরির সুযোগ (JOLTS) ২০২০ সালের পর সর্বনিম্ন স্তরে নেমে এসেছে।মার্কিন ডলারের জন্য এখন ভালো সময় যাচ্ছে না, এবং আজ প্রকাশিতব্য কর্মসংস্থান সংক্রান্ত প্রতিবেদনের ফলাফল থেকে জানা যাবে যে গত কয়েক বছরে মার্কিন শ্রমবাজারের সম্প্রসারণ কতটা মন্থর হয়েছে।
সাধারণ মাসিক পেরোল প্রতিবেদন ও সাপ্তাহিক বেকারভাতার আবেদন ছাড়াও, আজ দুপুরে প্রকাশিতব্য জানুয়ারির নন-ফার্ম পেরোল প্রতিবেদনে দীর্ঘ প্রতীক্ষিত বার্ষিক সংশোধনও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। প্রাথমিক অনুমান অনুসারে ২০২৫ সালের মার্চ মাস থেকে 911,000 কর্মসংস্থানের রেকর্ড নিম্নমুখী সংশোধনের ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে, এই সংশোধনের ফলে কর্মসংস্থান বৃদ্ধির গতিশীলতা উল্লেখযোগ্যভাবে মন্থর হয়ে যাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
বিএমও ক্যাপিটাল মার্কেটস জানিয়েছে, "এই বছরের বার্ষিক সংশোধনগুলো স্বাভাবিক পরিস্থিতির তুলনায় আরও গুরুতর ফলাফল বয়ে আনব। এখন শ্রমবাজার পরিস্থিতি সম্ভবত মোট কর্মসংস্থান বৃদ্ধি এবং হ্রাসের মধ্যে দোল খাচ্ছে বলে প্রতীয়মান হচ্ছে।"
এই বার্ষিক সংশোধনগুলো - মাসিক পূর্বাভাসকে প্রভাবিত করে এমন মৌসুমী প্রভাব এবং অন্যান্য পরিমাপগত সমস্যা সংশোধন করার জন্য করা হয় - যা শ্রমবাজারের প্রকৃত অবস্থা বোঝার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পূর্ববর্তী বছরগুলোতে এই ধরনের সমন্বয় কখনও কখনও উল্লেখযোগ্য ঊর্ধ্বমুখী বা নিম্নমুখী পুনর্মূল্যায়ন নিয়ে এসেছে, তাই বিশ্লেষকরা এই বছরের সংশোধন কতটা উল্লেখযোগ্য হবে তা দেখার জন্য ঘনিষ্ঠভাবে এই প্রতিবেদন পর্যবেক্ষণ করবেন।
প্রাথমিকভাবে 911,000 কর্মসংস্থান হ্রাসের সংশোধন বেশ আতঙ্কজনক, কারণ এটি ইঙ্গিত দেয় পূর্বের ধাক্কার পর শ্রমবাজার পুনরুদ্ধার কার্যক্রম ধারণার তুলনায় অনেক বেশি দুর্বল ছিল। যদি জানুয়ারিতে কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে উল্লেখযোগ্য মন্থরতার বিষয়টি নিশ্চিত হয়, তবে আর্থিক নীতিমালা, ভোক্তা আস্থা ও কর্পোরেট বিনিয়োগে এর বিস্তৃত প্রভাব পড়তে পারে এবং তা মার্কিন ডলারের ওপর চাপ আরও বাড়াবে।
কোনো উল্লেখযোগ্য নিম্নমুখী সংশোধন অর্থনীতির গঠনগত সমস্যাগুলো ধারণার চেয়ে গুরুতর হতে পারে—এটি বিশ্লেষকদের জিডিপি পূর্বাভাস পুনর্মূল্যায়নের তাগিদ দিতে পারে এবং ফেড কর্তৃক বর্তমান সুদের হার বজায় রাখার সক্ষমতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে পারে। উল্টোভাবে, যদি সংশোধিত ফলাফল ততটা নাটকীয় না হয়, তাহলে তা পূর্বের উদ্বেগ সত্ত্বেও শ্রমবাজারের অধিক স্থিতিশীলতার ইঙ্গিত দেবে।
বেকারত্ব হার 4.4%-এ অপরিবর্তিত থাকার প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

EUR/USD
EUR/USD-এর টেকনিক্যাল চিত্র অনুযায়ী, শক্তিশালী মুভমেন্টের পর EUR/USD পেয়ারের মূল্যের কনসোলিডেশন হচ্ছে। ক্রেতাদের এই পেয়ারের মূল্যকে 1.1925 লেভেলে নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা উচিত। কেবল এই লেভেলে পৌছালেই এই পেয়ারের মূল্যের 1.1957-এ পৌঁছানোর সুযোগ উন্মুক্ত হবে। সেখান থেকে এই পেয়ারের মূল্যের 1.1994-এর দিকে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, তবে বড় ট্রেডারদের সহায়তা ছাড়া এই লেভেলের দিকে অগ্রসর হওয়া কঠিন হবে। ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা অব্যাহত থাকার ক্ষেত্রে এই পেয়ারের মূল্যের প্রায় 1.2037-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যায়। নিম্নমুখী প্রবণতার ক্ষেত্রে এই পেয়ারের মূল্য 1.1890-এর আশপাশে থাকা অবস্থায় ক্রেতারা সক্রিয় হতে পারে। সেখানে কোনো ক্রেতা সক্রিয় না হলে এই পেয়ারের মূল্যের নতুন নিম্ন লেভেল 1.1858-এ নেমে যাওয়ার জন্য অপেক্ষা করাই যুক্তিযুক্ত হবে বা 1.1832 থেকে লং পজিশন ওপেন করার বিষয়টি বিবেচনা করা উচিত।GBP/USD GBP/USD-এর ক্ষেত্রে পাউন্ডের ক্রেতাদের মূল্যকে নিকটতম রেজিস্ট্যান্স 1.3698-এ নিয়ে যাওয়ার দিকে নজর দেয়া উচিত। কেবল তখনই এই পেয়ারের মূল্যের 1.3730-এর দিকে যাওয়ার সম্ভাবনা উন্মোচিত হবে; সেই লেভেল ব্রেক করে ঊর্ধ্বমুখী হওয়াটা চ্যালেঞ্জিং হবে। ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা অব্যাহত থাকার ক্ষেত্রে এই পেয়ারের মূল্যের প্রায় 1.3757-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যায়। নিম্নমুখী প্রবণতার ক্ষেত্রে এই পেয়ারের মূল্য 1.3660-এ থাকা বিক্রেতারা মার্কেটের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা করবে—যদি তারা সফল হয়, তবে এই রেঞ্জ ব্রেকআউট করে মূল্য নিম্নমুখী হলে সেটি ক্রেতাদের জন্য গুরুতর আঘাত হবে এবং GBP/USD পেয়ারের মূল্য 1.3625 পর্যন্ত নেমে যেতে পারে, পরবর্তীতে দরপতন প্রসারিত হয়ে মূল্য 1.3585 পর্যন্ত নেমে যেতে পারে।
