logo

FX.co ★ ১২ ফেব্রুয়ারি কোন ইভেন্টগুলোর উপর মনোযোগ দেওয়া উচিত? নতুন ট্রেডারদের জন্য ফান্ডামেন্টাল ইভেন্টের বিশ্লেষণ

১২ ফেব্রুয়ারি কোন ইভেন্টগুলোর উপর মনোযোগ দেওয়া উচিত? নতুন ট্রেডারদের জন্য ফান্ডামেন্টাল ইভেন্টের বিশ্লেষণ

সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের পর্যালোচনা:

১২ ফেব্রুয়ারি কোন ইভেন্টগুলোর উপর মনোযোগ দেওয়া উচিত? নতুন ট্রেডারদের জন্য ফান্ডামেন্টাল ইভেন্টের বিশ্লেষণ

বৃহস্পতিবার বেশ কয়েকটি সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত, যেগুলোর মধ্যে কয়েকটি বেশ গুরুত্বপূর্ণ। সকালে যুক্তরাজ্যে গত বছরের চতুর্থ প্রান্তিকের জিডিপি, ডিসেম্বরের জিডিপি এবং ডিসেম্বরের শিল্প উৎপাদন সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করা হবে। সামগ্রিকভাবে বিবেচনা করলে ব্রিটিশ প্রতিবেদনগুলোর ফলাফল অনেকদিন ধরেই পাউন্ড স্টার্লিংকে সহায়তা করেনি। গত এক বছরে ব্রিটিশ মুদ্রার মূল্যের সমগ্র উত্থানের সাথে যুক্তরাজ্যের অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের কোনো সম্পর্ক ছিল। অতএব, মার্কেটে এসব প্রতিবেদনের গুরুত্ব তুলনামূলকভাবে কম। চতুর্থ প্রান্তিকে দেশটির জিডিপি 0.2% প্রবৃদ্ধি প্রদর্শন করবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে এবং বার্ষিক ভিত্তিতে 1.2% প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস দেয়া হয়েছে। শিল্প উৎপাদন সূচকে শূন্য প্রবৃদ্ধিই দেখা যেতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রে আজ নতুন আবাসন বিক্রয় ও আনএমপ্লয়মেন্ট ক্লেইমস সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে। গতকাল শ্রমবাজার সংক্রান্ত বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন প্রকাশ পাওয়ায় দ্বিতীয় প্রতিবেদনটি খুব একটা গুরুত্ব বহন করে না। আর নতুন আবাসন বিক্রয় সংক্রান্ত প্রতিবেদনও খুব একটা উল্লেখযোগ্য সূচক হিসেবে বিবেচিত হয় না।

ফান্ডামেন্টাল ইভেন্টের বিশ্লেষণ:

১২ ফেব্রুয়ারি কোন ইভেন্টগুলোর উপর মনোযোগ দেওয়া উচিত? নতুন ট্রেডারদের জন্য ফান্ডামেন্টাল ইভেন্টের বিশ্লেষণ

বৃহস্পতিবারের ফান্ডামেন্টাল ইভেন্ট হিসেবে কেবল কয়েকজন ফেড ও ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের (ইসিবি) প্রতিনিধিদের বক্তব্য উল্লেখযোগ্য—কিন্তু পূর্বে আমরা যেমনটি উল্লেখ করেছি, মুদ্রাস্ফীতি, শ্রমবাজার ও বেকারত্ব সংক্রান্ত নতুন প্রতিবেদন প্রকাশ না হলে মুদ্রানীতি প্রসঙ্গে ফেড ও ইসিবির প্রতিনিধিদের অবস্থান পরিবর্তনের বিশেষ কোনো প্রত্যাশা নেই। গতকাল মার্কিন শ্রমবাজারের সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে, কিন্তু সমস্যাটি হলো—শ্রমবাজার পরিস্থিতি অনুযায়ী বর্তমানে মুদ্রানীতি নমনীয়করণের প্রয়োজন নেই, যেখানে মুদ্রাস্ফীতির হার এমন প্রয়োজন বৃদ্ধি করতে পারে। অতএব, ফেডের ভবিষ্যৎ সিদ্ধান্ত সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পাওয়ার জন্য শুক্রবার প্রকাশিতব্য মুদ্রাস্ফীতি হার পর্যবেক্ষণ করা উচিত।

ইসিবির সম্পর্কে বলতে গেলে, ক্রিস্টিন লাগার্ড গত সপ্তাহে স্পষ্ট করে বলেছেন যে ইসিবি যদি পুনরায় মুদ্রানীতি নমনীয় করার পদক্ষেপ বিবেচনা করতে চায়, তাহলে মুদ্রাস্ফীতির হার 2%-এর লক্ষ্যমাত্রার অনেক নিচে উল্লেখযোগ্যভাবে নেমে আসা আবশ্যক।

উপসংহার:

চলতি সপ্তাহের শেষ দিকের ট্রেডিং দিনে উভয় কারেন্সি পেয়ারই খুব শান্তভাবে ট্রেড করা হতে পারে, কারণ আজ খুব বেশি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে না বা তেমন কোনো উল্লেখযোগ্য ইভেন্টও নেই। ইউরো 1.1899-1.1908 এরিয়ায় থেকে ট্রেড করা যেতে পারে, আর ব্রিটিশ পাউন্ড 1.3643-1.3652 এরিয়া থেকে ট্রেড করা যাবে। আজই জানা যাবে যে মার্কিন বেকারত্ব ও শ্রমবাজার সংক্রান্ত প্রতিবেদনের যথেষ্ট ইতিবাচক ফলাফলের প্রেক্ষিতে মার্কেটে মার্কিন ডলারের প্রতি মনোভাব পরিবর্তিত হয়েছে কি না।

ট্রেডিং সিস্টেমের মূল নিয়মাবলী:

  1. সিগনালের শক্তি: যত দ্রুত একটি সিগন্যাল (রিবাউন্ড বা ব্রেকআউট) গঠিত হয়, সিগন্যালটিকে ততই শক্তিশালী হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
  2. ভুল সিগন্যাল: যদি কোনো লেভেলের কাছে দুই বা ততোধিক ভুল ট্রেডিং সিগনাল গঠিত হয়, তাহলে ঐ লেভেল থেকে প্রাপ্ত পরবর্তী সিগন্যালগুলোকে উপেক্ষা করা উচিত।
  3. ফ্ল্যাট মার্কেট: যখন মার্কেটে ফ্ল্যাট মুভমেন্ট দেখা যায়, তখন পেয়ারগুলোতে একাধিক ভুল সিগন্যাল গঠিত হতে পারে অথবা কোনো সিগন্যাল না-ও গঠিত হতে পারে। মার্কেটে ফ্ল্যাট মুভমেন্টের ইঙ্গিত পাওয়ামাত্র ট্রেডিং বন্ধ করে দেওয়াই ভালো।
  4. ট্রেডিংয়ের সময়সূচী: ইউরোপীয় সেশন শুরু থেকে মার্কিন সেশনের মাঝামাঝি সময় পর্যন্ত ট্রেড ওপেন করুন এবং এরপর সকল ট্রেড ম্যানুয়ালি ক্লোজ করে ফেলুন।
  5. MACD সিগন্যাল: ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে কেবল সেই MACD সিগন্যালগুলোর ওপর ভিত্তি করে ট্রেড করুন, যেগুলো উচ্চ মাত্রার অস্থিরতা এবং ট্রেন্ডলাইন বা ট্রেন্ড চ্যানেলের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া প্রবণতা হিসেবে বিবেচিত।
  6. নিকটতম লেভেল: যদি দুটি লেভেল খুব কাছাকাছি (৫–২০ পিপসের মধ্যে) অবস্থিত হয়, তাহলে সেগুলোকে সাপোর্ট বা রেজিস্ট্যান্স জোন হিসেবে বিবেচনা করুন।
  7. স্টপ লস: মূল্য কাঙ্ক্ষিত দিকের দিকে ১৫ পিপস মুভমেন্ট প্রদর্শন করলে, ব্রেকইভেনে স্টপ লস সেট করুন। এতে করে ভুল সিগন্যালের কারণে লোকসানের ঝুঁকি কমে আসে।

চার্টে কী কী রয়েছে:

  • সাপোর্ট ও রেজিস্ট্যান্স লেভেল: এই লেভেলগুলো পজিশন ওপেন বা ক্লোজ করার ক্ষেত্রে লক্ষ্যমাত্রা হিসেবে কাজ করে এবং টেক প্রফিট সেট করার ক্ষেত্রেও উপযোগী।
  • লাল লাইনসমূহ: চ্যানেল বা ট্রেন্ডলাইন, যা বর্তমান প্রবণতা এবং ট্রেডের সম্ভাব্য দিকনির্দেশনা প্রদান করে।
  • MACD ইনডিকেটর (14,22,3): হিস্টোগ্রাম এবং সিগন্যাল লাইন বিশ্লেষণের জন্য একটি অতিরিক্ত ট্রেডিং সিগন্যালের উৎস হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

নতুন ট্রেডারদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

গুরুত্বপূর্ণ ইভেন্ট ও প্রতিবেদন: এই তথ্যগুলো অর্থনৈতিক ক্যালেন্ডারে পাওয়া যায় এবং মূল্যের মুভমেন্টে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন প্রকাশের সময় সতর্কতা অবলম্বন করুন বা মার্কেট থেকে বেরিয়ে আসুন, যাতে হঠাৎ করে মূল্যের রিভার্সাল বা বিপরীতমুখী হওয়ার প্রবণতা এড়ানো যায়।

ফরেক্স ট্রেডিংয়ে নতুন ট্রেডারদের মনে রাখতে হবে প্রতিটি ট্রেড লাভজনক হবে না। দীর্ঘমেয়াদে ট্রেডিংয়ে সফলতা অর্জনের জন্য একটি সুস্পষ্ট কৌশল গ্রহণ এবং সঠিক মানি ম্যানেজমেন্ট অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

* এখানে পোস্ট করা মার্কেট বিশ্লেষণ মানে আপনার সচেতনতা বৃদ্ধি করা, কিন্তু একটি ট্রেড করার নির্দেশনা প্রদান করা নয়
Go to the articles list Go to this author's articles Open trading account