logo

FX.co ★ ১৩ ফেব্রুয়ারি কোন ইভেন্টগুলোর উপর মনোযোগ দেওয়া উচিত? নতুন ট্রেডারদের জন্য ফান্ডামেন্টাল ইভেন্টের বিশ্লেষণ

১৩ ফেব্রুয়ারি কোন ইভেন্টগুলোর উপর মনোযোগ দেওয়া উচিত? নতুন ট্রেডারদের জন্য ফান্ডামেন্টাল ইভেন্টের বিশ্লেষণ

সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের পর্যালোচনা:

১৩ ফেব্রুয়ারি কোন ইভেন্টগুলোর উপর মনোযোগ দেওয়া উচিত? নতুন ট্রেডারদের জন্য ফান্ডামেন্টাল ইভেন্টের বিশ্লেষণ

শুক্রবার অল্প কয়েকটি সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে। ইউরোপীয় ইউনিয়নে চতু্র্থ প্রান্তিকের জিডিপি প্রতিবেদনের প্রথম আনুমানিক ফলাফল প্রকাশিত হবে, তবে গতকাল মার্কেটে যুক্তরাজ্যের জিডিপি প্রতিবেদনের প্রতি যেরূপ প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে সম্ভবত আজকেও অনুরূপ প্রতিক্রিয়া দেখা যাবে। এই প্রতিবেদনটিকে অপ্রাসঙ্গিক বলা যায় না, তবে মার্কেটের ট্রেডাররা সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে অনেকগুলো সামষ্টিক প্রতিবেদনের ফলাফল উপেক্ষা করেছে, বিশেষ করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে থেকে আগত প্রতিবেদনগুলো।

দিনের মূল প্রতিবেদন হিসেবে মার্কিন মুদ্রাস্ফীতি প্রতিবেদন বিবেচিত হচ্ছে, যা জানুয়ারির শ্রমবাজার এবং বেকারত্ব সংক্রান্ত ইতিবাচক সূচকের পর ফেডের মূল অগ্রাধিকার হয়ে দাঁড়িয়েছে। ফেড প্রধানত মুদ্রাস্ফীতি হারের ওপর ভিত্তি করে মুদ্রানীতি সংক্রান্ত আসন্ন সিদ্ধান্তগুলো নেবে।

ফান্ডামেন্টাল ইভেন্টের বিশ্লেষণ:

১৩ ফেব্রুয়ারি কোন ইভেন্টগুলোর উপর মনোযোগ দেওয়া উচিত? নতুন ট্রেডারদের জন্য ফান্ডামেন্টাল ইভেন্টের বিশ্লেষণ


শুক্রবারের ফান্ডামেন্টাল ইভেন্টগুলোর মধ্যে কেবল ফেডের প্রতিনিধি স্টিফেন মিরানের বক্তবই বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। দূর্ভাগ্যবশত (বা সৌভাগ্যবশত), মিরানের দৃষ্টিভঙ্গি 100% নির্ভুলভাবে ধারণা করা যায়। মিরান মূলত ফেডের মধ্যে ট্রাম্পের প্রধান প্রতিনিধিত্বকারী, যিনি মূল সুদের হার দ্রুত কমানোর জরুরি প্রয়োজন নিয়ে আলোকপাত করবেন—বিশেষত এখন, যখন (জানুয়ারিতে) শ্রমবাজার পরিস্থিতির উন্নতির লক্ষণ দেখা যাচ্ছে এবং আজ মুদ্রাস্ফীতির হার 2.4-2.5% পর্যন্ত মন্থর হতে পারে। তবে ফেডের সিদ্ধান্ত একমাত্র মিরানের ওপর নির্ভর করে না, কারণ ফেডারেল ওপেন মার্কেট কমিটির বেশিরভাগ সদস্য মুদ্রানীতি ব্যাপারে তুলনামূলকভাবে হকিশ বা কঠোর দৃষ্টিভঙ্গি ধারণ করেন। অতএব, মিরানের বক্তব্য ট্রেডারদের জন্য কার্যত ততটা প্রাসঙ্গিক হবে না।


উপসংহার:

চলতি সপ্তাহের শেষ দিনের ট্রেডিংয়ে, অন্তত মার্কিন মুদ্রাস্ফীতি প্রতিবেদন প্রকাশ না হওয়া পর্যন্ত, উভয় কারেন্সি পেয়ারই শান্তভাবে ট্রেড করা হতে পারে। আজ ইউরো 1.1899-1.1908 বা 1.1830-1.1837 রেঞ্জে ট্রেড করা যেতে পারে, আর ব্রিটিশ পাউন্ড 1.3643-1.3652 রেঞ্জে ট্রেড করা যেতে পারে। আমরা এখনও মার্কিন ডলারের দর বৃদ্ধির জন্য কোনো দৃঢ় ভিত্তি দেখছি না, তবে মার্কিন মুদ্রাস্ফীতি প্রতিবেদনের ফলাফল মার্কেটে প্রতিক্রিয়া উস্কে দিতে পারে।

ট্রেডিং সিস্টেমের মূল নিয়মাবলী:

  1. সিগনালের শক্তি: যত দ্রুত একটি সিগন্যাল (রিবাউন্ড বা ব্রেকআউট) গঠিত হয়, সিগন্যালটিকে ততই শক্তিশালী হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
  2. ভুল সিগন্যাল: যদি কোনো লেভেলের কাছে দুই বা ততোধিক ভুল ট্রেডিং সিগনাল গঠিত হয়, তাহলে ঐ লেভেল থেকে প্রাপ্ত পরবর্তী সিগন্যালগুলোকে উপেক্ষা করা উচিত।
  3. ফ্ল্যাট মার্কেট: যখন মার্কেটে ফ্ল্যাট মুভমেন্ট দেখা যায়, তখন পেয়ারগুলোতে একাধিক ভুল সিগন্যাল গঠিত হতে পারে অথবা কোনো সিগন্যাল না-ও গঠিত হতে পারে। মার্কেটে ফ্ল্যাট মুভমেন্টের ইঙ্গিত পাওয়ামাত্র ট্রেডিং বন্ধ করে দেওয়াই ভালো।
  4. ট্রেডিংয়ের সময়সূচী: ইউরোপীয় সেশন শুরু থেকে মার্কিন সেশনের মাঝামাঝি সময় পর্যন্ত ট্রেড ওপেন করুন এবং এরপর সকল ট্রেড ম্যানুয়ালি ক্লোজ করে ফেলুন।
  5. MACD সিগন্যাল: ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে কেবল সেই MACD সিগন্যালগুলোর ওপর ভিত্তি করে ট্রেড করুন, যেগুলো উচ্চ মাত্রার অস্থিরতা এবং ট্রেন্ডলাইন বা ট্রেন্ড চ্যানেলের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া প্রবণতা হিসেবে বিবেচিত।
  6. নিকটতম লেভেল: যদি দুটি লেভেল খুব কাছাকাছি (৫–২০ পিপসের মধ্যে) অবস্থিত হয়, তাহলে সেগুলোকে সাপোর্ট বা রেজিস্ট্যান্স জোন হিসেবে বিবেচনা করুন।
  7. স্টপ লস: মূল্য কাঙ্ক্ষিত দিকের দিকে ১৫ পিপস মুভমেন্ট প্রদর্শন করলে, ব্রেকইভেনে স্টপ লস সেট করুন। এতে করে ভুল সিগন্যালের কারণে লোকসানের ঝুঁকি কমে আসে।

চার্টে কী কী রয়েছে:


  • সাপোর্ট ও রেজিস্ট্যান্স লেভেল: এই লেভেলগুলো পজিশন ওপেন বা ক্লোজ করার ক্ষেত্রে লক্ষ্যমাত্রা হিসেবে কাজ করে এবং টেক প্রফিট সেট করার ক্ষেত্রেও উপযোগী।
  • লাল লাইনসমূহ: চ্যানেল বা ট্রেন্ডলাইন, যা বর্তমান প্রবণতা এবং ট্রেডের সম্ভাব্য দিকনির্দেশনা প্রদান করে।
  • MACD ইনডিকেটর (14,22,3): হিস্টোগ্রাম এবং সিগন্যাল লাইন বিশ্লেষণের জন্য একটি অতিরিক্ত ট্রেডিং সিগন্যালের উৎস হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

নতুন ট্রেডারদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

গুরুত্বপূর্ণ ইভেন্ট ও প্রতিবেদন: এই তথ্যগুলো অর্থনৈতিক ক্যালেন্ডারে পাওয়া যায় এবং মূল্যের মুভমেন্টে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন প্রকাশের সময় সতর্কতা অবলম্বন করুন বা মার্কেট থেকে বেরিয়ে আসুন, যাতে হঠাৎ করে মূল্যের রিভার্সাল বা বিপরীতমুখী হওয়ার প্রবণতা এড়ানো যায়।

ফরেক্স ট্রেডিংয়ে নতুন ট্রেডারদের মনে রাখতে হবে প্রতিটি ট্রেড লাভজনক হবে না। দীর্ঘমেয়াদে ট্রেডিংয়ে সফলতা অর্জনের জন্য একটি সুস্পষ্ট কৌশল গ্রহণ এবং সঠিক মানি ম্যানেজমেন্ট অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

* এখানে পোস্ট করা মার্কেট বিশ্লেষণ মানে আপনার সচেতনতা বৃদ্ধি করা, কিন্তু একটি ট্রেড করার নির্দেশনা প্রদান করা নয়
Go to the articles list Go to this author's articles Open trading account