logo

FX.co ★ ১৯ ফেব্রুয়ারি কোন ইভেন্টগুলোর উপর মনোযোগ দেওয়া উচিত? নতুন ট্রেডারদের জন্য ফান্ডামেন্টাল ইভেন্টের বিশ্লেষণ

১৯ ফেব্রুয়ারি কোন ইভেন্টগুলোর উপর মনোযোগ দেওয়া উচিত? নতুন ট্রেডারদের জন্য ফান্ডামেন্টাল ইভেন্টের বিশ্লেষণ

সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের পর্যালোচনা:

১৯ ফেব্রুয়ারি কোন ইভেন্টগুলোর উপর মনোযোগ দেওয়া উচিত? নতুন ট্রেডারদের জন্য ফান্ডামেন্টাল ইভেন্টের বিশ্লেষণ

বৃহস্পতিবার অল্প কয়েকটি সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে। মূলত উল্লেখযোগ্য একমাত্র প্রতিবেদন হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের আনএমপ্লয়মেন্ট ক্লেইমস সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে। এটি মনে রাখা জরুরি যে ফেব্রুয়ারিতে ইতোমধ্যেই মার্কিন শ্রমবাজারের সম্পর্কিত বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে, এবং সেই প্রতিবেদনগুলোর ফলাফল অত্যন্ত পরস্পরবিরোধী ছিল। উদাহরণস্বরূপ JOLTs ও ADP প্রতিবেদনগুলোর ফলাফল উল্লেখযোগ্যভাবে হতাশাজনক ছিল। বেকারত্বের হার হ্রাস পেলেও ও জানুয়ারি মাসে ননফার্ম পেরোল প্রতিবেদনে জানুয়ারির জন্য সন্তোষজনক ফলাফল দেখা গেলেও ২০২৫ সালের সামগ্রিক চিত্র অত্যন্ত নেতিবাচক ছিল। অতএব শ্রমবাজার পরিস্থিতির সার্বিক পুনরুদ্ধারের ব্যাপারে আমরা সরাসরি কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে পারছি না। এখন একমাত্র গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হলো শ্রমবাজারের এই পুনরুদ্ধার প্রক্রিয়া কীভাবে এবং কখন শুরু হবে। ২০২৫ সালের পুরো বছর জুড়ে মার্কিন অর্থনীতিতে মাত্র 180,000টি কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে।

ফান্ডামেন্টাল ইভেন্টের বিশ্লেষণ:

১৯ ফেব্রুয়ারি কোন ইভেন্টগুলোর উপর মনোযোগ দেওয়া উচিত? নতুন ট্রেডারদের জন্য ফান্ডামেন্টাল ইভেন্টের বিশ্লেষণ


বৃহস্পতিবারের ফান্ডামেন্টাল ইভেন্টগুলোর মধ্যে ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও ফেডারেল রিজার্ভের প্রতিনিধিদের বক্তব্য উল্লেখযোগ্য—এই তালিকায় আছেন লুইস ডে গুইন্ডোস, মিশেল বোম্যান, রাফায়েল বস্টিক এবং নীল কাশকারি। মার্কিন শ্রমবাজার, বেকারত্ব ও মুদ্রাস্ফীতি সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশের পর ফেডের সদস্যদের মধ্যে অবস্থানের পরিবর্তন আসার সম্ভাবনা রয়েছে; তবে প্রাথমিকভাবে ফেড সদস্যদের বক্তব্যে 'নিরপেক্ষ' অবস্থান প্রতিফলিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আমরা মনে করি ফেড শিগগিরই আরও 'ডোভিশ বা নমনীয়' অবস্থান গ্রহণ করতে পারে, কারণ যুক্তরাষ্ট্রে মুদ্রাস্ফীতির হার 2%-এর কাছাকাছি নেমে আসছে। তবে মুদ্রাস্ফীতি কেবল 2.4%-এ স্থির থাকাই যথেষ্ট নয়—মুদ্রাস্ফীতির হার অব্যাহতভাবে হ্রাস পেতে হবে। আর ইসিবির ক্ষেত্রে সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী মুদ্রাস্ফীতির হার 1.7%-এ নেমে এসেছে। আর যদি ইউরোজোনের মুদ্রাস্ফীতির হার আরও নিম্নমুখী হতে থাকে, তাহলে ইসিবি মুদ্রানীতি আরও নমনীয় করতে বাধ্য হতে হতে পারে, যদিও বর্তমানে ক্রিস্টিন লাগার্ডে এমন পরিস্থিতি এড়ানোর চেষ্টা করছেন।


উপসংহার:

চলতি সপ্তাহের তৃতীয় দিনের ট্রেডিংয়ে মার্কেটে অপেক্ষাকৃতভাবে স্থিতিশীল পরিস্থিতি দেখা যেতে পারে ও স্বল্প মাত্রার অস্থিরতা বিরাজ করতে পারে। আজ ইউরো 1.1830-1.1831 এবং 1.1745-1.1754 এরিয়া থেকে ট্রেড করা যেতে পারে, এবং ব্রিটিশ পাউন্ড 1.০3484-1.3489 এরিয়া থেকে ট্রেড করা যেতে পারে। আমরা এখনও মার্কিন ডলারের উল্লেখযোগ্য ও দীর্ঘস্থায়ী মূল্য বৃদ্ধির কোনো ভিত্তি দেখতে পাচ্ছি না, তবে বর্তমানে উভয় কারেন্সি পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী প্রবণতা বিরাজ করছে।

ট্রেডিং সিস্টেমের মূল নিয়মাবলী:

  1. সিগনালের শক্তি: যত দ্রুত একটি সিগন্যাল (রিবাউন্ড বা ব্রেকআউট) গঠিত হয়, সিগন্যালটিকে ততই শক্তিশালী হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
  2. ভুল সিগন্যাল: যদি কোনো লেভেলের কাছে দুই বা ততোধিক ভুল ট্রেডিং সিগনাল গঠিত হয়, তাহলে ঐ লেভেল থেকে প্রাপ্ত পরবর্তী সিগন্যালগুলোকে উপেক্ষা করা উচিত।
  3. ফ্ল্যাট মার্কেট: যখন মার্কেটে ফ্ল্যাট মুভমেন্ট দেখা যায়, তখন পেয়ারগুলোতে একাধিক ভুল সিগন্যাল গঠিত হতে পারে অথবা কোনো সিগন্যাল না-ও গঠিত হতে পারে। মার্কেটে ফ্ল্যাট মুভমেন্টের ইঙ্গিত পাওয়ামাত্র ট্রেডিং বন্ধ করে দেওয়াই ভালো।
  4. ট্রেডিংয়ের সময়সূচী: ইউরোপীয় সেশন শুরু থেকে মার্কিন সেশনের মাঝামাঝি সময় পর্যন্ত ট্রেড ওপেন করুন এবং এরপর সকল ট্রেড ম্যানুয়ালি ক্লোজ করে ফেলুন।
  5. MACD সিগন্যাল: ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে কেবল সেই MACD সিগন্যালগুলোর ওপর ভিত্তি করে ট্রেড করুন, যেগুলো উচ্চ মাত্রার অস্থিরতা এবং ট্রেন্ডলাইন বা ট্রেন্ড চ্যানেলের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া প্রবণতা হিসেবে বিবেচিত।
  6. নিকটতম লেভেল: যদি দুটি লেভেল খুব কাছাকাছি (৫–২০ পিপসের মধ্যে) অবস্থিত হয়, তাহলে সেগুলোকে সাপোর্ট বা রেজিস্ট্যান্স জোন হিসেবে বিবেচনা করুন।
  7. স্টপ লস: মূল্য কাঙ্ক্ষিত দিকের দিকে ১৫ পিপস মুভমেন্ট প্রদর্শন করলে, ব্রেকইভেনে স্টপ লস সেট করুন। এতে করে ভুল সিগন্যালের কারণে লোকসানের ঝুঁকি কমে আসে।

চার্টে কী কী রয়েছে:

  • সাপোর্ট ও রেজিস্ট্যান্স লেভেল: এই লেভেলগুলো পজিশন ওপেন বা ক্লোজ করার ক্ষেত্রে লক্ষ্যমাত্রা হিসেবে কাজ করে এবং টেক প্রফিট সেট করার ক্ষেত্রেও উপযোগী।
  • লাল লাইনসমূহ: চ্যানেল বা ট্রেন্ডলাইন, যা বর্তমান প্রবণতা এবং ট্রেডের সম্ভাব্য দিকনির্দেশনা প্রদান করে।
  • MACD ইনডিকেটর (14,22,3): হিস্টোগ্রাম এবং সিগন্যাল লাইন বিশ্লেষণের জন্য একটি অতিরিক্ত ট্রেডিং সিগন্যালের উৎস হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

নতুন ট্রেডারদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

গুরুত্বপূর্ণ ইভেন্ট ও প্রতিবেদন: এই তথ্যগুলো অর্থনৈতিক ক্যালেন্ডারে পাওয়া যায় এবং মূল্যের মুভমেন্টে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন প্রকাশের সময় সতর্কতা অবলম্বন করুন বা মার্কেট থেকে বেরিয়ে আসুন, যাতে হঠাৎ করে মূল্যের রিভার্সাল বা বিপরীতমুখী হওয়ার প্রবণতা এড়ানো যায়।

ফরেক্স ট্রেডিংয়ে নতুন ট্রেডারদের মনে রাখতে হবে প্রতিটি ট্রেড লাভজনক হবে না। দীর্ঘমেয়াদে ট্রেডিংয়ে সফলতা অর্জনের জন্য একটি সুস্পষ্ট কৌশল গ্রহণ এবং সঠিক মানি ম্যানেজমেন্ট অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

* এখানে পোস্ট করা মার্কেট বিশ্লেষণ মানে আপনার সচেতনতা বৃদ্ধি করা, কিন্তু একটি ট্রেড করার নির্দেশনা প্রদান করা নয়
Go to the articles list Go to this author's articles Open trading account