logo

FX.co ★ মার্কিন স্টক মার্কেটের আপডেট, ২৩ ফেব্রুয়ারি: S&P 500 ও নাসডাক সূচক নতুন করে চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হয়েছে

মার্কিন স্টক মার্কেটের আপডেট, ২৩ ফেব্রুয়ারি: S&P 500 ও নাসডাক সূচক নতুন করে চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হয়েছে

গত শুক্রবার মার্কিন স্টক সূচকগুলো দৃঢ় প্রবৃদ্ধি প্রদর্শন করেছে। S&P 500 সূচক প্রায় 0.69% বৃদ্ধি পেয়েছে, নাসডাক 100 সূচক 0.90% বৃদ্ধি পেয়েছে, এবং ডাও জোন্স সূচক প্রায় 0.47% বৃদ্ধি পেয়েছে।

মার্কিন স্টক মার্কেটের আপডেট, ২৩ ফেব্রুয়ারি: S&P 500 ও নাসডাক সূচক নতুন করে চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হয়েছে

তবে আজ সকাল স্টক সূচকগুলো ফিউচার্সের দরপতন হচ্ছে, কারণ মার্কিন বাণিজ্যনীতি নিয়ে নতুন করে অনিশ্চয়তা সৃষ্টি হওয়ায় মার্কিন অ্যাসেটগুলোর প্রতি আস্থা ক্ষতিগ্রস্ত করেছে এবং বৈশ্বিক পর্যায়ে অস্থিরতা বাড়ার ঝুঁকি বৃদ্ধি করেছে। মার্কিন সূচক ফিউচার্স প্রায় 0.5%–0.9% কমে গেছে। গত সপ্তাহে মার্কিন ডলারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার পর ইয়েন, সুইস ফ্রাঙ্ক এবং ইউরোর দর মার্কিন ডলারের বিপরীতে বৃদ্ধি পেয়েছে। বিটকয়েনের মূল্য প্রায় 5% কমে $65,000-এর নিচে নেমে এসেছে, যখন স্বর্ণ ও রৌপ্যের দর সামান্য বৃদ্ধি পেয়েছে।
ট্রেডিংয়ে ঝুঁকি গ্রহণের প্রবণতা ধীরে ধীরে হ্রাস পাচ্ছে কারণ যুক্তরাষ্ট্রে সুরক্ষাবাদী নীতির তীব্রতা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। ফিউচার্সের দরপতন ইঙ্গিত দেয় যে বৈশ্বিক বাজারগুলোতে ইতিমধ্যে নতুন বাণিজ্য উত্তেজনার সম্ভাব্য নেতিবাচক পরিণতি — অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে মন্থরতা, কোম্পানিগুলোর দুর্বল মুনাফা ও বৈশ্বিক সাপ্লাই চেইনে বিঘ্নতার বিষয়গুলো — মূল্যায়ন করা হচ্ছে এবং বিনিয়োগকারীরা তাদের পোর্টফোলিও পুনর্বিবেচনা করছে।

উল্লেখ্য যে গত সপ্তাহের শেষভাগে, সুপ্রিম কোর্ট আরোপিত বাণিজ্য শুল্ক অবৈধ ঘোষণা করার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নতুন করে 10% বৈশ্বিক শুল্ক আরোপের ঘোষণা দিয়েছিলেন এবং বলেছিলেন তিনি বাণিজ্য নীতিমালায় কঠোর অবস্থান বজায় রাখতে অন্যান্য কর্তৃত্ব ব্যবহার করবেন। শনিবার তিনি সেই শুল্ক 15% পর্যন্ত বাড়ানোর কথা ঘোষণা করেন, যা নতুন করে অর্থনৈতিক অস্থিরতা উস্কে দিয়েছে।

সোমবার এশিয়ান ইক্যুইটিগুলো প্রায় 1% বৃদ্ধি পেয়েছে, এক্ষেত্রে প্রযুক্তি খাতভিত্তিক শেয়ার মূল্য বৃদ্ধির দিক থেকে নেতৃস্থানীয় অবস্থানে ছিল, কারণ প্রত্যাশা করা হচ্ছিল যে মার্কিন সুপ্রিম কোর্টের সিদ্ধান্ত শেষ পর্যন্ত চীন ও ভারতসহ বৃহৎ আঞ্চলিক অর্থনীতিগুলোর জন্য ইতিবাচক হতে পারে—যে দেশগুলো শুল্ক আরোপের ফলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল।


তবুও, বিনিয়োগকারীরা ট্রাম্পের নতুন বাণিজ্য পরিকল্পনার বিস্তারিত তথ্য জানার অপেক্ষায় রয়েছে এবং এর সম্ভাব্য প্রভাব মূল্যায়ন করছেন, কারণ এটি শুধুমাত্র মার্কিন অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও ফেডের আর্থিক নীতিমালার উপর নয়, বরং বৈশ্বিক অর্থনীতি ও কর্পোরেট মুনাফার উপরও প্রভাব বিস্তার করবে। এই প্রেক্ষাপটে বাণিজ্য নীতিমালা সংক্রান্ত অনিশ্চয়তা পুনরায় মার্কিন অ্যাসেটগুলোর জন্য নেতিবাচক কারণ হিসেবে কাজ করছে। আজ সকালে ডলারের দরপতন অব্যাহত থাকতে পারে এবং মার্কিন ইক্যুইটি ফিউচার্সেও আরও দরপতন দেখা যেতে পারে।

মার্কিন স্টক মার্কেটের আপডেট, ২৩ ফেব্রুয়ারি: S&P 500 ও নাসডাক সূচক নতুন করে চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হয়েছে

S&P 500-এর টেকনিক্যাল বিশ্লেষণ অনুযায়ী, ক্রেতাদের অবিলম্বে সূচকটির মূল্যকে $6,871-এর রেজিস্ট্যান্স লেভেল অতিক্রম করাতে হবে। ওই লেভেল ব্রেক করে উপরে উঠলে অতিরিক্ত উর্ধ্বমুখী প্রবণতার নিশ্চয়তা পাওয়া যাবে এবং সূচকটির মূল্যের $6,883 পর্যন্ত যাওয়ার সম্ভাবনা উন্মুক্ত হবে। সূচকটির দর $6,896 অতিক্রম করলে ক্রেতাদের অবস্থান আরো শক্তিশালী হবে। দরপতনের ক্ষেত্রে, সূচকটির দর প্রায় $6,854-এ থাকা অবস্থায় ক্রেতাদের সক্রিয় হওয়া উচিৎ। ওই লেভেল ব্রেক করে নিম্নমুখী হলে সূচকটির দর সম্ভাব্যভাবে $6,837 পর্যন্ত নেমে যেতে পারে এবং $6,819 এর দিকে যাওয়ার সম্ভাবনা উন্মুক্ত হতে পারে।

* এখানে পোস্ট করা মার্কেট বিশ্লেষণ মানে আপনার সচেতনতা বৃদ্ধি করা, কিন্তু একটি ট্রেড করার নির্দেশনা প্রদান করা নয়
Go to the articles list Go to this author's articles Open trading account