logo

FX.co ★ ২৫ ফেব্রুয়ারি কোন ইভেন্টগুলোর উপর মনোযোগ দেওয়া উচিত? নতুন ট্রেডারদের জন্য ফান্ডামেন্টাল ইভেন্টের বিশ্লেষণ

২৫ ফেব্রুয়ারি কোন ইভেন্টগুলোর উপর মনোযোগ দেওয়া উচিত? নতুন ট্রেডারদের জন্য ফান্ডামেন্টাল ইভেন্টের বিশ্লেষণ

সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের পর্যালোচনা:

২৫ ফেব্রুয়ারি কোন ইভেন্টগুলোর উপর মনোযোগ দেওয়া উচিত? নতুন ট্রেডারদের জন্য ফান্ডামেন্টাল ইভেন্টের বিশ্লেষণ

বুধবার খুবই অল্প সংখ্যক সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে, এবং সেগুলোর কোনোটিই বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ নয়। জার্মানিতে GfK ভোক্তা আস্থা সূচক এবং ২০২৫ সালের চতুর্থ প্রান্তিকের জিডিপির তৃতীয় অনুমান প্রকাশিত হবে; ইউরোজোনে জানুয়ারির মুদ্রাস্ফীতির দ্বিতীয় অনুমান প্রকাশ করা হবে। তাত্ত্বিকভাবে এই প্রতিবেদনগুলোর ফলাফলের প্রভাবে মার্কেটে প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হতে পারে, তবে সেক্ষেত্রে পূর্বাভাসের তুলনায় প্রকৃত ফলাফল তাৎপর্যপূর্ণভাবে ভিন্ন হতে হবে—যা ঘটার সম্ভাবনা নেই বলেই মনে হচ্ছে। আজ যুক্তরাষ্ট্রে কোনো প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে না।

ফান্ডামেন্টাল ইভেন্টের বিশ্লেষণ:

২৫ ফেব্রুয়ারি কোন ইভেন্টগুলোর উপর মনোযোগ দেওয়া উচিত? নতুন ট্রেডারদের জন্য ফান্ডামেন্টাল ইভেন্টের বিশ্লেষণ

মঙ্গলবারের ফান্ডামেন্টাল ইভেন্টগুলোর মধ্যে ইসিবি এবং ফেডের কয়েকজন প্রতিনিধির বক্তব্য তুলে ধরা যায়; তবু উভয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকই বর্তমানে মুদ্রানীতির ব্যাপারে স্পষ্টভাবেই দৃঢ় অবস্থান ধরে রেখেছে। ইউরোজোনের বার্ষিক মুদ্রাস্ফীতির হার 1.7%-এ নেমে এলেও ইসিবির এটিকে উদ্বেগের বিষয় হিসেবে বিবেচনা করছে না, ফলে নিকট ভবিষ্যতে ইসিবি কর্তৃক মূল সুদের হার হ্রাসের পরিকল্পনা নেই। এর বিপরীতে ফেড মুদ্রাস্ফীতির হার 2.4%-কে উচ্চ হিসেবে বিবেচনা করছে, ফলে তারাও শীঘ্রই নতুন করে আর্থিক নীতিমালা নমনীয় করার পরিকল্পনা করছে না। অতএব ইসিবি ও ফেডের প্রতিনিধিদের নতুন বক্তৃতাগুলো থেকে কোনো নতুন বা গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়ার সম্ভাবনা কম। বিশ্বজুড়ে এখন প্রধানত ডোনাল্ড ট্রাম্পের কর্মকান্ডের উপর মনোযোগ কেন্দ্রীভূত রয়েছে; ট্রেডাররা নতুন শুল্ক ও পুরনো চুক্তিসমূহ সম্পর্কে স্পষ্টতা পাওয়ার আশা করছে, কারণ সুপ্রিম কোর্ট যখন সকল পুরনো শুল্ক বাতিল করেন তার পরপরই ট্রাম্প সব দেশের উপর নতুন ও সমান হারে শুল্ক আরোপ করেন, ফলে সার্বিক পরিস্থিতি একেবারে বদলে গিয়েছে।

উপসংহার:

চলতি সপ্তাহের তৃতীয় দিনের ট্রেডিংয়ে মার্কেটে খুবই দুর্বল মুভমেন্ট দেখা যেতে পারে, কারণ সোমবার থেকেই এটি স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে যে ট্রেডাররা সুপ্রিম কোর্টের রায় এবং ট্রাম্প কর্তৃক তাৎক্ষণিকভাবে সকল শুল্ক পুনঃপ্রবর্তনের প্রতিক্রিয়ায় মোটেই অবাক হননি। আজ ইউরো 1.1830-1.1837 এরিয়ায় ট্রেড করা যেতে পারে, এবং ব্রিটিশ পাউন্ড 1.3529-1.3543 এরিয়ায় ট্রেড করা যেতে পারে। আমরা এখনও মার্কিন ডলারের মূল্যের শক্তিশালী ও স্থিতিশীল বৃদ্ধির জন্য পর্যাপ্ত কারণ দেখতে পাচ্ছি না, তবে উভয় পেয়ারের মূল্যই অব্যাহতভাবে নিম্নমুখী প্রবণতা প্রদর্শন করছে।

ট্রেডিং সিস্টেমের মূল নিয়মাবলী:

  1. সিগনালের শক্তি: যত দ্রুত একটি সিগন্যাল (রিবাউন্ড বা ব্রেকআউট) গঠিত হয়, সিগন্যালটিকে ততই শক্তিশালী হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
  2. ভুল সিগন্যাল: যদি কোনো লেভেলের কাছে দুই বা ততোধিক ভুল ট্রেডিং সিগনাল গঠিত হয়, তাহলে ঐ লেভেল থেকে প্রাপ্ত পরবর্তী সিগন্যালগুলোকে উপেক্ষা করা উচিত।
  3. ফ্ল্যাট মার্কেট: যখন মার্কেটে ফ্ল্যাট মুভমেন্ট দেখা যায়, তখন পেয়ারগুলোতে একাধিক ভুল সিগন্যাল গঠিত হতে পারে অথবা কোনো সিগন্যাল না-ও গঠিত হতে পারে। মার্কেটে ফ্ল্যাট মুভমেন্টের ইঙ্গিত পাওয়ামাত্র ট্রেডিং বন্ধ করে দেওয়াই ভালো।
  4. ট্রেডিংয়ের সময়সূচী: ইউরোপীয় সেশন শুরু থেকে মার্কিন সেশনের মাঝামাঝি সময় পর্যন্ত ট্রেড ওপেন করুন এবং এরপর সকল ট্রেড ম্যানুয়ালি ক্লোজ করে ফেলুন।
  5. MACD সিগন্যাল: ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে কেবল সেই MACD সিগন্যালগুলোর ওপর ভিত্তি করে ট্রেড করুন, যেগুলো উচ্চ মাত্রার অস্থিরতা এবং ট্রেন্ডলাইন বা ট্রেন্ড চ্যানেলের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া প্রবণতা হিসেবে বিবেচিত।
  6. নিকটতম লেভেল: যদি দুটি লেভেল খুব কাছাকাছি (৫–২০ পিপসের মধ্যে) অবস্থিত হয়, তাহলে সেগুলোকে সাপোর্ট বা রেজিস্ট্যান্স জোন হিসেবে বিবেচনা করুন।
  7. স্টপ লস: মূল্য কাঙ্ক্ষিত দিকের দিকে ১৫ পিপস মুভমেন্ট প্রদর্শন করলে, ব্রেকইভেনে স্টপ লস সেট করুন। এতে করে ভুল সিগন্যালের কারণে লোকসানের ঝুঁকি কমে আসে।

চার্টে কী কী রয়েছে:

  • সাপোর্ট ও রেজিস্ট্যান্স লেভেল: এই লেভেলগুলো পজিশন ওপেন বা ক্লোজ করার ক্ষেত্রে লক্ষ্যমাত্রা হিসেবে কাজ করে এবং টেক প্রফিট সেট করার ক্ষেত্রেও উপযোগী।
  • লাল লাইনসমূহ: চ্যানেল বা ট্রেন্ডলাইন, যা বর্তমান প্রবণতা এবং ট্রেডের সম্ভাব্য দিকনির্দেশনা প্রদান করে।
  • MACD ইনডিকেটর (14,22,3): হিস্টোগ্রাম এবং সিগন্যাল লাইন বিশ্লেষণের জন্য একটি অতিরিক্ত ট্রেডিং সিগন্যালের উৎস হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

নতুন ট্রেডারদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

গুরুত্বপূর্ণ ইভেন্ট ও প্রতিবেদন: এই তথ্যগুলো অর্থনৈতিক ক্যালেন্ডারে পাওয়া যায় এবং মূল্যের মুভমেন্টে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন প্রকাশের সময় সতর্কতা অবলম্বন করুন বা মার্কেট থেকে বেরিয়ে আসুন, যাতে হঠাৎ করে মূল্যের রিভার্সাল বা বিপরীতমুখী হওয়ার প্রবণতা এড়ানো যায়।

ফরেক্স ট্রেডিংয়ে নতুন ট্রেডারদের মনে রাখতে হবে প্রতিটি ট্রেড লাভজনক হবে না। দীর্ঘমেয়াদে ট্রেডিংয়ে সফলতা অর্জনের জন্য একটি সুস্পষ্ট কৌশল গ্রহণ এবং সঠিক মানি ম্যানেজমেন্ট অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

* এখানে পোস্ট করা মার্কেট বিশ্লেষণ মানে আপনার সচেতনতা বৃদ্ধি করা, কিন্তু একটি ট্রেড করার নির্দেশনা প্রদান করা নয়
Go to the articles list Go to this author's articles Open trading account