logo

FX.co ★ ১৮ মে কোন ইভেন্টগুলোর উপর মনোযোগ দেওয়া উচিত? নতুন ট্রেডারদের জন্য ফান্ডামেন্টাল ইভেন্টের বিশ্লেষণ

১৮ মে কোন ইভেন্টগুলোর উপর মনোযোগ দেওয়া উচিত? নতুন ট্রেডারদের জন্য ফান্ডামেন্টাল ইভেন্টের বিশ্লেষণ

সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের পর্যালোচনা:

১৮ মে কোন ইভেন্টগুলোর উপর মনোযোগ দেওয়া উচিত? নতুন ট্রেডারদের জন্য ফান্ডামেন্টাল ইভেন্টের বিশ্লেষণ

১৮ই মে, সোমবার কোনো সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে না। তাই, নতুন ট্রেডাররা সারাদিন কেবল ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটের দিকে নজর রাখতে পারেন। আজ সকালেই জানা গেছে যে, সংযুক্ত আরব আমিরাতের একটি পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রে একটি অজ্ঞাতপরিচয় ড্রোন হামলা চালিয়েছে। এটি স্পষ্ট যে, এই ড্রোনটি ইরানেরই; কারণ সংযুক্ত আরব আমিরাত হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের মিত্রদেশ। এই পরিস্থিতিতে, মধ্যপ্রাচ্য সংঘাত প্রশমিত হওয়ার চেয়ে বরং আরও তীব্র আকার ধারণ করার সম্ভাবনাই বেশি; আর ডোনাল্ড ট্রাম্প এখন ইরানের বিরুদ্ধে পুনরায় সামরিক অভিযান শুরু করার বিভিন্ন উপায় খতিয়ে দেখছেন।

ফান্ডামেন্টাল ইভেন্টের বিশ্লেষণ:

১৮ মে কোন ইভেন্টগুলোর উপর মনোযোগ দেওয়া উচিত? নতুন ট্রেডারদের জন্য ফান্ডামেন্টাল ইভেন্টের বিশ্লেষণ

সোমবার উল্লেখযোগ্য কোনো ফান্ডামেন্টাল ইভেন্ট নির্ধারিত নেই। গত সপ্তাহে ঘোষণা এসেছিল যে, পরবর্তী বৈঠকে ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক মূল সুদের হার বৃদ্ধি করতে পারে; অন্যদিকে, ফেডারেল রিজার্ভ মুদ্রাস্ফীতির পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য চতুর্থ প্রান্তিক পর্যন্ত অপেক্ষা করবে। তবে, গত সপ্তাহে যুক্তরাজ্যের এপ্রিল মাসের মুদ্রাস্ফীতির পূর্বাভাস প্রকাশিত হওয়ার পর, ব্যাংক অফ ইংল্যান্ডের সুদের হার বৃদ্ধির সম্ভাবনা বা প্রত্যাশা ব্যাপকভাবে হ্রাস পেয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে যে, দেশটির মুদ্রাস্ফীতির হার কমে ৩ শতাংশে নেমে আসতে পারে; এমনটি ঘটলে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ এবং হরমুজ প্রণালীর অবরোধের মধ্যেও সম্ভবত একমাত্র দেশ হিসেবে উচ্চ মুদ্রাস্ফীতির হাত থেকে যুক্তরাজ্য়ের রেহাই মিলেছে। এই ধরনের পরিস্থিতিতে, মূল সুদের হার বৃদ্ধি করার জন্য ব্রিটিশ কেন্দ্রীয় ব্যাংকের হাতে আর কোনো যৌক্তিক ভিত্তি অবশিষ্ট থাকবে না।

দুর্ভাগ্যবশত, ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট অনুযায়ী মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতি আবারও শান্তি ও দীর্ঘমেয়াদী চুক্তির পরিবর্তে সংঘাতের দিকেই ধাবিত হচ্ছে। গত কয়েক সপ্তাহ ধরে, উভয় পক্ষ নিয়মিতভাবে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করে চলেছে এবং সর্বশেষ আলোচনার অত্যন্ত নাটকীয়ভাবে ভেস্তে গেছে। বর্তমানে আলোচনা প্রক্রিয়া স্থগিত রয়েছে এবং ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের ওপর পুনরায় হামলা চালানোর পরিকল্পনা করছেন। তাই, অদূর ভবিষ্যতে হরমুজ প্রণালীর অবরোধ প্রত্যাহার কিংবা চলমান সংঘাতের কোনো সুরাহা হওয়ার বিন্দুমাত্র সম্ভাবনাও নেই।

উপসংহার:

চলতি সপ্তাহের প্রথম দিনের ট্রেডিংয়ে উভয় কারেন্সি পেয়ারের তুলনামূলকভাবে মন্থর ট্রেডিং পরিলক্ষিত হতে পারে, তবে নতুন কোনো ভূ-রাজনৈতিক সংবাদ মার্কেটে ঝড় তুলতে পারে। মধ্যপ্রাচ্যে নতুন আক্রমণের প্রতিক্রিয়ায় এবং যুদ্ধ পুনরায় শুরু হওয়ার সম্ভাবনা বৃদ্ধির ফলে জ্বালানি তেলের দাম আবার বাড়ছে। আজ ইউরো 1.1584-1.1591 ও 1.1655-1.1666 এরিয়া থেকে ট্রেড করা যেতে পারে, এবং ব্রিটিশ পাউন্ড 1.3319-1.3331 এরিয়ার কাছাকাছি ট্রেড করা সম্ভব। ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট এখনও কারেন্সি মার্কেটে ব্যাপক প্রভাব বিস্তার করছে।

ট্রেডিং সিস্টেমের মূল নিয়মাবলী:

  1. সিগনালের শক্তি: যত দ্রুত একটি সিগন্যাল (রিবাউন্ড বা ব্রেকআউট) গঠিত হয়, সিগন্যালটিকে ততই শক্তিশালী হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
  2. ভুল সিগন্যাল: যদি কোনো লেভেলের কাছে দুই বা ততোধিক ভুল ট্রেডিং সিগনাল গঠিত হয়, তাহলে ঐ লেভেল থেকে প্রাপ্ত পরবর্তী সিগন্যালগুলোকে উপেক্ষা করা উচিত।
  3. ফ্ল্যাট মার্কেট: যখন মার্কেটে ফ্ল্যাট মুভমেন্ট দেখা যায়, তখন পেয়ারগুলোতে একাধিক ভুল সিগন্যাল গঠিত হতে পারে অথবা কোনো সিগন্যাল না-ও গঠিত হতে পারে। মার্কেটে ফ্ল্যাট মুভমেন্টের ইঙ্গিত পাওয়ামাত্র ট্রেডিং বন্ধ করে দেওয়াই ভালো।
  4. ট্রেডিংয়ের সময়সূচী: ইউরোপীয় সেশন শুরু থেকে মার্কিন সেশনের মাঝামাঝি সময় পর্যন্ত ট্রেড ওপেন করুন এবং এরপর সকল ট্রেড ম্যানুয়ালি ক্লোজ করে ফেলুন।
  5. MACD সিগন্যাল: ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে কেবল সেই MACD সিগন্যালগুলোর ওপর ভিত্তি করে ট্রেড করুন, যেগুলো উচ্চ মাত্রার অস্থিরতা এবং ট্রেন্ডলাইন বা ট্রেন্ড চ্যানেলের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া প্রবণতা হিসেবে বিবেচিত।
  6. নিকটতম লেভেল: যদি দুটি লেভেল খুব কাছাকাছি (৫–২০ পিপসের মধ্যে) অবস্থিত হয়, তাহলে সেগুলোকে সাপোর্ট বা রেজিস্ট্যান্স জোন হিসেবে বিবেচনা করুন।
  7. স্টপ লস: মূল্য কাঙ্ক্ষিত দিকের দিকে ১৫ পিপস মুভমেন্ট প্রদর্শন করলে, ব্রেকইভেনে স্টপ লস সেট করুন। এতে করে ভুল সিগন্যালের কারণে লোকসানের ঝুঁকি কমে আসে।

চার্টে কী কী রয়েছে:

  • সাপোর্ট ও রেজিস্ট্যান্স লেভেল: এই লেভেলগুলো পজিশন ওপেন বা ক্লোজ করার ক্ষেত্রে লক্ষ্যমাত্রা হিসেবে কাজ করে এবং টেক প্রফিট সেট করার ক্ষেত্রেও উপযোগী।
  • লাল লাইনসমূহ: চ্যানেল বা ট্রেন্ডলাইন, যা বর্তমান প্রবণতা এবং ট্রেডের সম্ভাব্য দিকনির্দেশনা প্রদান করে।
  • MACD ইনডিকেটর (14,22,3): হিস্টোগ্রাম এবং সিগন্যাল লাইন বিশ্লেষণের জন্য একটি অতিরিক্ত ট্রেডিং সিগন্যালের উৎস হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

নতুন ট্রেডারদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

গুরুত্বপূর্ণ ইভেন্ট ও প্রতিবেদন: এই তথ্যগুলো অর্থনৈতিক ক্যালেন্ডারে পাওয়া যায় এবং মূল্যের মুভমেন্টে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন প্রকাশের সময় সতর্কতা অবলম্বন করুন বা মার্কেট থেকে বেরিয়ে আসুন, যাতে হঠাৎ করে মূল্যের রিভার্সাল বা বিপরীতমুখী হওয়ার প্রবণতা এড়ানো যায়।

ফরেক্স ট্রেডিংয়ে নতুন ট্রেডারদের মনে রাখতে হবে প্রতিটি ট্রেড লাভজনক হবে না। দীর্ঘমেয়াদে ট্রেডিংয়ে সফলতা অর্জনের জন্য একটি সুস্পষ্ট কৌশল গ্রহণ এবং সঠিক মানি ম্যানেজমেন্ট অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

* এখানে পোস্ট করা মার্কেট বিশ্লেষণ মানে আপনার সচেতনতা বৃদ্ধি করা, কিন্তু একটি ট্রেড করার নির্দেশনা প্রদান করা নয়
Go to the articles list Go to this author's articles Open trading account