logo

FX.co ★ ৭ জুলাই কোন ইভেন্টগুলোর উপর মনোযোগ দেওয়া উচিত? নতুন ট্রেডারদের জন্য ফান্ডামেন্টাল ইভেন্টের বিশ্লেষণ

৭ জুলাই কোন ইভেন্টগুলোর উপর মনোযোগ দেওয়া উচিত? নতুন ট্রেডারদের জন্য ফান্ডামেন্টাল ইভেন্টের বিশ্লেষণ

সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের পর্যালোচনা:

৭ জুলাই কোন ইভেন্টগুলোর উপর মনোযোগ দেওয়া উচিত? নতুন ট্রেডারদের জন্য ফান্ডামেন্টাল ইভেন্টের বিশ্লেষণ

মঙ্গলবার বেশ কয়েকটি সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হওয়ার কথা থাকলেও সেগুলোর কোনোটিই খুব একটা গুরুত্বপূর্ণ নয়। আজ জার্মানিতে মে মাসের শিল্পোৎপাদন বিষয়ক প্রতিবেদন এবং যুক্তরাষ্ট্রে এডিপি থেকে বেসরকারি খাতের কর্মসংস্থান পরিবর্তন বিষয়ক সাপ্তাহিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে। উল্লেখ্য যে, এডিপি প্রতিবেদনটি এখন সাপ্তাহিক ভিত্তিতে প্রকাশিত হয়; তবে ট্রেডাররা সাধারণত এটির ফলাফলের প্রতি খুব একটা প্রতিক্রিয়া দেখায় না এবং 'নন-ফার্ম পেরোল' প্রতিবেদনের ওপর ভিত্তি করেই সিদ্ধান্ত নিতে বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করে। গত সপ্তাহে প্রকাশিত 'নন-ফার্ম' সংক্রান্ত প্রতিবেদন থেকে স্পষ্টভাবে বোঝা গেছে যে, যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজার পরিস্থিতি আবারও নেতিবাচক হচ্ছে। শ্রমবাজারের এই নেতিবাচক পরিস্থিতির ফলে ফেডারেল রিজার্ভ নিকট ভবিষ্যতে মূল সুদের হার বৃদ্ধি করা থেকে বিরত থাকার যৌক্তিক কারণ বা ভিত্তি খুঁজে পেতে পারে।

ফান্ডামেন্টাল ইভেন্টের বিশ্লেষণ:

৭ জুলাই কোন ইভেন্টগুলোর উপর মনোযোগ দেওয়া উচিত? নতুন ট্রেডারদের জন্য ফান্ডামেন্টাল ইভেন্টের বিশ্লেষণ

মঙ্গলবার উল্লেখযোগ্য কোনো ফান্ডামেন্টাল ইভেন্ট নির্ধারিত নেই, কারণ আজ ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক, ব্যাংক অফ ইংল্যান্ড বা ফেডারেল রিজার্ভের প্রতিনিধিদের কোনো নির্ধারিত বক্তৃতা অনুষ্ঠিত হবে। তবে এটি কোনো সমস্যা নয়, কারণ এই তিনটি কেন্দ্রীয় ব্যাংকেরই ভবিষ্যৎ অবস্থান বা দৃষ্টিভঙ্গি বেশ স্পষ্ট ও বোধগম্য। ইসিবি সম্ভবত মূল্যস্ফীতি আরও কমানোর দিকে নজর দেবে এবং আর্থিক নীতিমালা কঠোর করার ক্ষেত্রে তাড়াহুড়ো করবে না। ব্যাংক অব ইংল্যান্ডও নিকট ভবিষ্যতে মূল সুদের হার বাড়ানোর কোনো পরিকল্পনা করছে না। আর ফেড যদি আর্থিক নীতিমালা কঠোর করার পদক্ষেপ নেয়ও, তবে তা শরতের আগে ঘটবে না এবং কেবল তখনই তা করা হবে যদি মূল্যস্ফীতি নিজে থেকে কমে না আসে।

ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতি এখন পর্যন্ত "শর্তসাপেক্ষে ইতিবাচক" রয়েছে। ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র একটি চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছে, কিন্তু অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় এখনও অমীমাংসিত রয়ে গেছে। বিশেষ করে, "পারমাণবিক ইস্যু," লেবানন ও ইসরায়েলের মধ্যকার যুদ্ধ এবং হরমুজ প্রণালীর পরিস্থিতির মতো বিষয়গুলো এখনো আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে। তাত্ত্বিকভাবে, ট্রেডাররা হয়তো পূর্ণমাত্রায় যুদ্ধ শুরুর আশঙ্কা করতে পারে; তবে মার্কিন ডলারের চাহিদা ধরে রাখার জন্য কেবল এই আশঙ্কা যথেষ্ট নয়। সর্বোপরি, তেহরান ও ওয়াশিংটন এখনও শান্তি স্থাপনের প্রচেষ্টা চালাচ্ছে এবং আলোচনা চলছে—যদিও কেউই আশা করছে না যে এই প্রক্রিয়াটি দ্রুত বা সহজ হবে।

উপসংহার:

চলতি সপ্তাহের দ্বিতীয় দিনের ট্রেডিংয়ে উভয় কারেন্সি পেয়ারের বেশ মন্থর ট্রেডিং দেখা যেতে পারে, কারণ আজ কোনো উল্লেখযোগ্য ইভেন্ট নির্ধারিত নেই বা কোনো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদনও প্রকাশিত হবে না। ইউরো এবং পাউন্ডের মূল্যের পুনরুদ্ধারের ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকতে পারে। ইউরো 1.1420-1.1432 এবং ব্রিটিশ পাউন্ড 1.3380-1.3386 এরিয়া থেকে ট্রেড করা যেতে পারে। আজ মার্কেটে উল্লেখযোগ্য কোনো মুভমেন্ট বা উচ্চমাত্রার অস্থিরতার প্রত্যাশা করা হচ্ছে না।

ট্রেডিং সিস্টেমের মূল নিয়মাবলী:

  1. সিগনালের শক্তি: যত দ্রুত একটি সিগন্যাল (রিবাউন্ড বা ব্রেকআউট) গঠিত হয়, সিগন্যালটিকে ততই শক্তিশালী হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
  2. ভুল সিগন্যাল: যদি কোনো লেভেলের কাছে দুই বা ততোধিক ভুল ট্রেডিং সিগনাল গঠিত হয়, তাহলে ঐ লেভেল থেকে প্রাপ্ত পরবর্তী সিগন্যালগুলোকে উপেক্ষা করা উচিত।
  3. ফ্ল্যাট মার্কেট: যখন মার্কেটে ফ্ল্যাট মুভমেন্ট দেখা যায়, তখন পেয়ারগুলোতে একাধিক ভুল সিগন্যাল গঠিত হতে পারে অথবা কোনো সিগন্যাল না-ও গঠিত হতে পারে। মার্কেটে ফ্ল্যাট মুভমেন্টের ইঙ্গিত পাওয়ামাত্র ট্রেডিং বন্ধ করে দেওয়াই ভালো।
  4. ট্রেডিংয়ের সময়সূচী: ইউরোপীয় সেশন শুরু থেকে মার্কিন সেশনের মাঝামাঝি সময় পর্যন্ত ট্রেড ওপেন করুন এবং এরপর সকল ট্রেড ম্যানুয়ালি ক্লোজ করে ফেলুন।
  5. MACD সিগন্যাল: ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে কেবল সেই MACD সিগন্যালগুলোর ওপর ভিত্তি করে ট্রেড করুন, যেগুলো উচ্চ মাত্রার অস্থিরতা এবং ট্রেন্ডলাইন বা ট্রেন্ড চ্যানেলের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া প্রবণতা হিসেবে বিবেচিত।
  6. নিকটতম লেভেল: যদি দুটি লেভেল খুব কাছাকাছি (৫–২০ পিপসের মধ্যে) অবস্থিত হয়, তাহলে সেগুলোকে সাপোর্ট বা রেজিস্ট্যান্স জোন হিসেবে বিবেচনা করুন।
  7. স্টপ লস: মূল্য কাঙ্ক্ষিত দিকের দিকে ১৫ পিপস মুভমেন্ট প্রদর্শন করলে, ব্রেকইভেনে স্টপ লস সেট করুন। এতে করে ভুল সিগন্যালের কারণে লোকসানের ঝুঁকি কমে আসে।

চার্টে কী কী রয়েছে:

  • সাপোর্ট ও রেজিস্ট্যান্স লেভেল: এই লেভেলগুলো পজিশন ওপেন বা ক্লোজ করার ক্ষেত্রে লক্ষ্যমাত্রা হিসেবে কাজ করে এবং টেক প্রফিট সেট করার ক্ষেত্রেও উপযোগী।
  • লাল লাইনসমূহ: চ্যানেল বা ট্রেন্ডলাইন, যা বর্তমান প্রবণতা এবং ট্রেডের সম্ভাব্য দিকনির্দেশনা প্রদান করে।
  • MACD ইনডিকেটর (14,22,3): হিস্টোগ্রাম এবং সিগন্যাল লাইন বিশ্লেষণের জন্য একটি অতিরিক্ত ট্রেডিং সিগন্যালের উৎস হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

নতুন ট্রেডারদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

গুরুত্বপূর্ণ ইভেন্ট ও প্রতিবেদন: এই তথ্যগুলো অর্থনৈতিক ক্যালেন্ডারে পাওয়া যায় এবং মূল্যের মুভমেন্টে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন প্রকাশের সময় সতর্কতা অবলম্বন করুন বা মার্কেট থেকে বেরিয়ে আসুন, যাতে হঠাৎ করে মূল্যের রিভার্সাল বা বিপরীতমুখী হওয়ার প্রবণতা এড়ানো যায়।

ফরেক্স ট্রেডিংয়ে নতুন ট্রেডারদের মনে রাখতে হবে প্রতিটি ট্রেড লাভজনক হবে না। দীর্ঘমেয়াদে ট্রেডিংয়ে সফলতা অর্জনের জন্য একটি সুস্পষ্ট কৌশল গ্রহণ এবং সঠিক মানি ম্যানেজমেন্ট অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

* এখানে পোস্ট করা মার্কেট বিশ্লেষণ মানে আপনার সচেতনতা বৃদ্ধি করা, কিন্তু একটি ট্রেড করার নির্দেশনা প্রদান করা নয়
Go to the articles list Go to this author's articles Open trading account