logo

FX.co ★ ৮ জুলাই কীভাবে GBP/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন? নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ পরামর্শ ও বিশ্লেষণ

৮ জুলাই কীভাবে GBP/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন? নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ পরামর্শ ও বিশ্লেষণ

মঙ্গলবারের ট্রেডিংয়ের বিশ্লেষণ:

GBP/USD পেয়ারের 1-ঘন্টার চার্ট

৮ জুলাই কীভাবে GBP/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন? নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ পরামর্শ ও বিশ্লেষণ

মঙ্গলবার GBP/USD কারেন্সি পেয়ারের মূল্য নিম্নমুখী হয়েছে, তবে স্থানীয় পর্যায়ে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা বজায় রয়েছে। এই প্রবণতাটি দুই মাসব্যাপী চলমান নিম্নমুখী প্রবণতার বিপরীতে একটি কারেকশন হতে পারে, তবে সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে ব্রিটিশ পাউন্ডের মূল্য ইউরোর তুলনায় অপেক্ষাকৃত বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে। দুর্ভাগ্যবশত, এই তথ্যের তেমন গুরুত্ব নেই; যদি পুনরায় ইউরোর দরপতন শুরু হয়, পাউন্ডের মূল্যও সম্ভবত নিম্নমুখী হবে। এই সপ্তাহে যুক্তরাজ্যের জন্য কোনো গুরুত্বপূর্ণ সামষ্টিক -অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে না বা কোনো ফান্ডামেন্টাল ইভেন্টও নির্ধারিত নেই। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদনগুলো ইতোমধ্যেই প্রকাশিত হয়েছে বা শীঘ্রই প্রকাশিত হবে। তবুও বর্তমানে ব্রিটিশ অর্থনীতি বা ব্যাংক অব ইংল্যান্ডের মুদ্রানীতি সম্পর্কে কোনো প্রশ্ন দেখা যাচ্ছে না। ব্যাংক অব ইংল্যান্ড স্পষ্টভাবে ইঙ্গিত দিয়েছে যে তারা মূল সুদের হার বর্তমান স্তরে বজায় রাখতে চায় এবং মুদ্রাস্ফীতি হ্রাসের প্রত্যাশা করছে। ফলে ব্রিটিশ কারেন্সির সমস্যাটি হলো ট্রেডাররা সকল তথ্য ও বিষয় যৌক্তিকভাবে বিশ্লেষণ করতে অনিচ্ছুক। ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও ফেডারেল রিজার্ভের মুদ্রানীতিগত বিষয়গুলো আবারও পাউন্ডের মূল্যকে নিম্নমুখী করতে পারে, যদিও ট্রেডাররা ব্রিটিশ পাউন্ডের পক্ষে থাকা ইতিবাচক বিষয়গুলো উপেক্ষা করছে।

GBP/USD পেয়ারের 5M চার্ট

৮ জুলাই কীভাবে GBP/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন? নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ পরামর্শ ও বিশ্লেষণ

৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে প্রায় 10 AM-এর দিকে কেবল একটি সেল সিগন্যাল গঠিত হয়েছিল; সারাদিন এই পেয়ারের মূল্যের মুভমেন্টগুলো বেশ দুর্বল ছিল। অবশেষে এই পেয়ারের মূল্য 1.3380-1.3386 এরিয়ার নিচে কনসলিডেট করেছে, যা নতুন ট্রেডারদের শর্ট পজিশন ওপেন করার সুযোগ দিয়েছে। বুধবার সকাল পর্যন্ত এই ট্রেডগুলো থেকে প্রায় 20 পিপস মুনাফা করা সম্ভব হয়েছে। বর্তমান পরিস্থিতি অনুযায়ী উল্লেখযোগ্য কোনো মুনাফার প্রত্যাশা করা যায় না।

বুধবার কীভাবে ট্রেডিং করতে হবে:

ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে GBP/USD পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা গঠিত হচ্ছে, যা মূলত কারেকশন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে, তবে ট্রেডাররা সকল বিষয়ের প্রতি সমানভাবে মনোযোগী হলে এটিই সামগ্রিক প্রবণতায় পরিণত হতে পারে। মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতের পুরোপুরি সমাধান না হলেও সাময়িক যুদ্ধবিরতি বজায় আছে; ফেড কেবল বছরের শেষ নাগাদ সুদের হার বৃদ্ধির সম্ভাবনার কথা জানিয়েছে, যা নাও ঘটতে পারে। আমরা দৃঢ়ভাবে ধারণা করছি যে মার্কিন ডলারের আরও দর বৃদ্ধির জন্য যথেষ্ট ভিত্তি নেই—না মৌলিকভাবে, না ভূ-রাজনৈতিকভাবে। তবে মার্কেটের ট্রেডাররা নিজস্ব যৌক্তিকতা অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নিচ্ছে।

বুধবার, যদি এই পেয়ারের মূল্য 1.3319-1.3331 এরিয়ার নিচে কনসলিডেট করে, তাহলে নতুন ট্রেডাররা শর্ট পজিশন ওপেন করতে পারেন, যেখানে মূল্যের 1.3259-1.3267-এর এরিয়ার দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে। আর যদি এই পেয়ারের মূল্য 1.3319-1.3331 এরিয়া থেকে বাউন্স করে, তাহলে লং পজিশন ওপেন করা যেতে পারে, যেখানে মূল্যের 1.3380-1.3386-এর এরিয়ার দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে।

৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে ট্রেডিংয়ের জন্য নিম্নলিখিত লেভেলগুলো বিবেচনা করা যেতে পারে: 1.3043, 1.3096-1.3107, 1.3175-1.3180, 1.3259-1.3267, 1.3319-1.3331, 1.3380-1.3386, 1.3456-1.3476, 1.3587-1.3598, 1.3631-1.3641, এবং 1.3695। বুধবার যুক্তরাজ্যে কোনো উল্লেখযোগ্য প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে না বা কোনো ইভেন্টও নির্ধারিত নেই; যুক্তরাষ্ট্রে ফেডের জুন মাসের বৈঠকের কার্যবিবরণী প্রকাশিত হবে, যেটিকে আমরা একটি স্বল্প গুরুত্বসম্পন্ন প্রতিবেদন হিসেবে বিবেচনা করছি।

ট্রেডিং সিস্টেমের মূল নিয়মাবলী:

  1. সিগনালের শক্তি: যত দ্রুত একটি সিগন্যাল (রিবাউন্ড বা ব্রেকআউট) গঠিত হয়, সিগন্যালটিকে ততই শক্তিশালী হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
  2. ভুল সিগন্যাল: যদি কোনো লেভেলের কাছে দুই বা ততোধিক ভুল ট্রেডিং সিগনাল গঠিত হয়, তাহলে ঐ লেভেল থেকে প্রাপ্ত পরবর্তী সিগন্যালগুলোকে উপেক্ষা করা উচিত।
  3. ফ্ল্যাট মার্কেট: যখন মার্কেটে ফ্ল্যাট মুভমেন্ট দেখা যায়, তখন পেয়ারগুলোতে একাধিক ভুল সিগন্যাল গঠিত হতে পারে অথবা কোনো সিগন্যাল না-ও গঠিত হতে পারে। মার্কেটে ফ্ল্যাট মুভমেন্টের ইঙ্গিত পাওয়ামাত্র ট্রেডিং বন্ধ করে দেওয়াই ভালো।
  4. ট্রেডিংয়ের সময়সূচী: ইউরোপীয় সেশন শুরু থেকে মার্কিন সেশনের মাঝামাঝি সময় পর্যন্ত ট্রেড ওপেন করুন এবং এরপর সকল ট্রেড ম্যানুয়ালি ক্লোজ করে ফেলুন।
  5. MACD সিগন্যাল: ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে কেবল সেই MACD সিগন্যালগুলোর ওপর ভিত্তি করে ট্রেড করুন, যেগুলো উচ্চ মাত্রার অস্থিরতা এবং ট্রেন্ডলাইন বা ট্রেন্ড চ্যানেলের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া প্রবণতা হিসেবে বিবেচিত।
  6. নিকটতম লেভেল: যদি দুটি লেভেল খুব কাছাকাছি (৫–২০ পিপসের মধ্যে) অবস্থিত হয়, তাহলে সেগুলোকে সাপোর্ট বা রেজিস্ট্যান্স জোন হিসেবে বিবেচনা করুন।
  7. স্টপ লস: মূল্য কাঙ্ক্ষিত দিকের দিকে ১৫ পিপস মুভমেন্ট প্রদর্শন করলে, ব্রেকইভেনে স্টপ লস সেট করুন। এতে করে ভুল সিগন্যালের কারণে লোকসানের ঝুঁকি কমে আসে।

চার্টে কী কী রয়েছে:

  • সাপোর্ট ও রেজিস্ট্যান্স লেভেল: এই লেভেলগুলো পজিশন ওপেন বা ক্লোজ করার ক্ষেত্রে লক্ষ্যমাত্রা হিসেবে কাজ করে এবং টেক প্রফিট সেট করার ক্ষেত্রেও উপযোগী।
  • লাল লাইনসমূহ: চ্যানেল বা ট্রেন্ডলাইন, যা বর্তমান প্রবণতা এবং ট্রেডের সম্ভাব্য দিকনির্দেশনা প্রদান করে।
  • MACD ইনডিকেটর (14,22,3): হিস্টোগ্রাম এবং সিগন্যাল লাইন বিশ্লেষণের জন্য একটি অতিরিক্ত ট্রেডিং সিগন্যালের উৎস হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

নতুন ট্রেডারদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

গুরুত্বপূর্ণ ইভেন্ট ও প্রতিবেদন: এই তথ্যগুলো অর্থনৈতিক ক্যালেন্ডারে পাওয়া যায় এবং মূল্যের মুভমেন্টে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন প্রকাশের সময় সতর্কতা অবলম্বন করুন বা মার্কেট থেকে বেরিয়ে আসুন, যাতে হঠাৎ করে মূল্যের রিভার্সাল বা বিপরীতমুখী হওয়ার প্রবণতা এড়ানো যায়।

ফরেক্স ট্রেডিংয়ে নতুন ট্রেডারদের মনে রাখতে হবে প্রতিটি ট্রেড লাভজনক হবে না। দীর্ঘমেয়াদে ট্রেডিংয়ে সফলতা অর্জনের জন্য একটি সুস্পষ্ট কৌশল গ্রহণ এবং সঠিক মানি ম্যানেজমেন্ট অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

* এখানে পোস্ট করা মার্কেট বিশ্লেষণ মানে আপনার সচেতনতা বৃদ্ধি করা, কিন্তু একটি ট্রেড করার নির্দেশনা প্রদান করা নয়
Go to the articles list Go to this author's articles Open trading account