![]()
সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের পর্যালোচনা: সোমবার খুব অল্প সংখ্যক সামষ্টিক-অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে। মৌলিকভাবে, একমাত্র উল্লেখযোগ্য প্রতিবেদন হিসেবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে মার্চে ISM সার্ভিসেস ইনডেক্স বা পরিষেবা সূচকের ফলাফল প্রকাশিত হবে। এই সূচকের ফলাফল যাই হোক না কেন, মার্কেটের ট্রেডাররা প্রায় সকল সামষ্টিক-অর্থনৈতিক পটভূমি উপেক্ষা করে চলেছে। শুক্রবারও একই পরিস্থিতি দেখা গিয়েছিল।
![]()
ফান্ডামেন্টাল ইভেন্টের বিশ্লেষণ: সোমবারের ফান্ডামেন্টাল ইভেন্টগুলোর মধ্যে বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য কিছু নেই। কিন্তু সেটাও প্রয়োজনীয় নয়। মার্কেটের ট্রেডাররা ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ছাড়া অন্যান্য সকল উপাদান উপেক্ষা করে চলছে। গতকাল রাতে ট্রাম্প আবার ইরানকে হুমকি দিয়েছেন, এবং স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন যে তেহরান মঙ্গলবারের মধ্যে হরমুজ প্রণালী থেকে অবরোধ তুলে না নিলে যুক্তরাষ্ট্র দেশটির বিরুদ্ধে নতুন করে হামলা চালাতে পারে। সেইসাথে ট্রাম্প যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে স্বাক্ষর করার জন্যও চাপ সৃষ্টি করছেন। যেহেতু ইরানের কর্তৃপক্ষ ট্রাম্পের বক্তব্য নিয়ে মন্তব্য করাও বন্ধ করে দিয়েছে, তাই আমরা ধরে নিচ্ছি যে ইরান আসন্ন আঘাত মোকাবিলার এবং প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে পাল্টা আঘাত পরিচালনার প্রস্তুতি নিচ্ছে। এর ফলে পরিস্থিতি কোন দিকে যাবে, তা সবাই বুঝতে পারছে।
উপসংহার: চলতি সপ্তাহের প্রথম দিনের ট্রেডিংয়ে উভয় কারেন্সি পেয়ারের মূল্য যেকোনো দিকে মুভমেন্ট প্রদর্শন করতে পারে, কারণ মার্কেটের ট্রেডাররা কেবল ভূ-রাজনৈতিক খবরের ওপর প্রতিক্রিয়া দেখাচ্ছে। আজ ইউরো 1.1527-1.1531 এরিয়াতে ট্রেড করা যেতে পারে, আর ব্রিটিশ পাউন্ড 1.3203-1.3212 এরিয়াতে ট্রেড করা যেতে পারে। আমরা এখনও মার্কিন ডলারের মূল্যের (সব কারণ বিবেচনা করে, কেবল ভূ-রাজনীতি নয়) শক্তিশালী ও টেকসই বৃদ্ধির জন্য দৃঢ় কোনো ভিত্তি দেখছি না, তবে নিকট ভবিষ্যতে ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটই কারেন্সি মার্কেটে মূল প্রভাব বিস্তার করবে।
Read more: https://ifxpr.com/4tAva2h