![]()
সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের পর্যালোচনা: মঙ্গলবার বেশ কয়েকটি সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে। কয়েকটি প্রতিবেদন প্রকাশের কথা থাকলেও সত্যিকার অর্থে খুব বেশি গুরুত্বপূর্ণ কোনো প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে না। সম্ভবত সবচেয়ে আকর্ষণীয় প্রতিবেদন হিসেবে যুক্তরাজ্যের বেকারত্বের হারকে বিবেচিত হচ্ছে; এছাড়াও যুক্তরাজ্যে বেকার ব্যক্তির সংখ্যার পরিবর্তন এবং মজুরি সম্পর্কিত প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে। জার্মানি ও ইউরোজোনে ZEW অর্থনৈতিক প্রত্যাশা সূচক প্রকাশিত হবে। যুক্তরাষ্ট্রে সাপ্তাহিক ADP বেসরকারি খাতের কর্মসংস্থান এবং খুচরা বিক্রয় সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করা হবে। মোটের ওপর প্রতিটি প্রতিবেদনই মার্কেটে তুলনামূলকভাবে সামান্য প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করতে পারে, তবে প্রায় সবগুলোই প্রতিবেদনই স্বল্প গুরুত্বসম্পন্ন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
![]()
ফান্ডামেন্টাল ইভেন্টের বিশ্লেষণ: মঙ্গলবারের উল্লেখযোগ্য ইভেন্টগুলোর মধ্যে ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ভাইস প্রেসিডেন্ট লুইস দে গুইন্ডোস ও ফেডারেল ওপেন মার্কেট কমিটির সদস্য ক্রিস্টোফার ওয়ালেরারের বক্তব্য অনুষ্ঠিত হবে। তবে মার্কেটের ট্রেডাররা এখনও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের আর্থিক নীতিমালার প্রতি ততটা প্রতিক্রিয়া প্রদর্শন করছে না, ফলে এই মুহূর্তে ইসিবি, ফেড ও ব্যাংক অব ইংল্যান্ডের প্রতিনিধিদের বিবৃতিগুলো বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ নয়। 2026 সালে ফেডের আর্থিক নীতিমালা কঠোর হওয়ার প্রত্যাশা করা হচ্ছে না, যখন মুদ্রাস্ফীতির হার বাড়তে থাকলে ব্যাংক অব ইংল্যান্ড ও ইসিবি মূল সুদের হার বাড়াতে পারে। তবুও ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট প্রায় প্রতিদিনই বদলে যাচ্ছে, ফলে কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলো গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতে পারছে না। উদাহরণস্বরূপ, যদি ইরান ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে কোনো চুক্তি না হয় তাহলে এই সপ্তাহে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পুনরায় শুরু হতে পারে—আর আলোচনা বাতিল করা হলে কীভাবে চুক্তি হবে? তাই ইসিবি ও ব্যাংক অব ইংল্যান্ড যেকোনো গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেয়ার আগে এপ্রিল পর্যন্ত অপেক্ষা করতে পারে। উপসংহার: চলতি সপ্তাহের দ্বিতীয় দিনের ট্রেডিংয়ে উভয় কারেন্সি পেয়ারের মূল্যের কারেকশন অব্যাহত থাকতে পারে, কিন্তু ট্রেডারদের টেকনিক্যাল লেভেল ও প্রাসঙ্গিক বিষয়গুলোর উপর দৃষ্টিপাত করা উচিত। আজ ইউরো 1.1745-1.1754 এরিয়ার মধ্যে ট্রেড করা যেতে পারে, এবং ব্রিটিশ পাউন্ড 1.3476-1.3489 এরিয়ার মধ্যে ট্রেড করা যেতে পারে। আমরা এখনও মার্কিন ডলারের মূল্যের শক্তিশালী ও স্থায়ী বৃদ্ধির যৌক্তিক কোনো ভিত্তি দেখছি না (শুধু ভূ-রাজনীতি নয়, সব বিষয় বিবেচনায়), তাই 2025 সালের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা 2026 সালেও পুনরায় শুরু হওয়ার প্রত্যাশা করছি, যার ফলে ইউরো ও পাউন্ডের মূল্য ৪ বছরের উচ্চতার দিকে এগিয়ে যেতে পারে।
Read more: https://ifxpr.com/3Qe0qpt